1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন চার মুখ, রাতে শপথ মাদকবিরোধী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মাদকসহ দুই মাদক কারবারিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি নালিতাবাড়ীতে কৃষক-কৃষাণীর মাঝে কাঁঠালের চারা বিতরণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ নকলায় মাছ ধরতে গিয়ে স্রোতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার ভুয়া খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন শেরপুরে করাতকলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

জাতীয় পার্টির প্রাথমিক বিজয় হয়েছে: জাপা মহাসচিব

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। আমরা শেষ পর্যন্ত ভোট করতে পেরেছি এবং ব্যালটে লাঙ্গল প্রতীক ছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরদিন  শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

জাপা মহাসচিব বলেন, আমাদের অনেক প্রার্থী ছিলেন, যারা দফায় দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। ব্যাপক জনপ্রিয় এসব প্রার্থীদের কৌশলে করে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে হারানোর জন্য মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রথমত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না, প্রচারণায় অনেক পরে নেমেছি, কারণ আমাদের ৫০ জনের মতো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। ওই প্রার্থীদের আপীলের জন্য দৌঁড়াতে সময় অপচয় হয়েছে। এছাড়া বিগত দেড় বছর ধরে জেলা পর্যায়ে কোন কর্মসূচি করতে দেওয়া হয়নি। আমাদের পার্টি অফিসে দফায় দফায় হামলা করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতাদের টকশোতে ডাকলে সেই মিডিয়াকে হুমকি দেওয়া হতো। এসব করে জাতীয় পার্টিকে হারানো হয়েছে।

জিএম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২৪৫ আসনে প্রার্থী দেয়। কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল থেকে বিরত থাকে, আর বেশ কিছু প্রার্থীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাড়ায় ১৯৬ জনে। কিন্তু একটি আসনেও জিততে পারেনি দলটির প্রার্থীরা। অনেক জায়গায় এতো কম ভোট পেয়েছে যা পার্টির ইমেজের জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন দলটির কর্মীরা। জাতীয় পার্টি গঠনের পর আর কখনও এমন লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করতে হয়নি দলটিকে।

অনেকেই মনে করেন, একাধিক দফায় ভাঙন জাতীয় পার্টি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে। বিগত দুই বছরে নতুন করে ৩ টুকরো হয়েছে পার্টি। সর্বশেষ নির্বাচনের পূর্বে যে ভাঙন হয়েছে, সেটি জিএম কাদের অংশকে পুরো নেতৃত্ব শূন্য করে ফেলেছে। অভিজ্ঞ এবং দেশব্যাপী পরিচিত মুখগুলো এক যোগে জিএম কাদেরকে ফেলে চলে গিয়েছে। জিএম কাদেরের পাশে বসার মতো দু’তিন জন নেতা ছাড়া কেউ নেই। শূন্যস্থান পূরণ করতে এমন সব নেতাদের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে যারা নিজেরাই এই পদের যোগ্য নন বলে স্বীকার করেন।

নির্বাচন প্রশ্নে উভয় সংকটে ছিল জাতীয় পার্টি! নির্বাচলে অংশ না নিলে দলীয় প্রতীক এবং নিবন্ধন নিয়ে শঙ্কায় ছিলো। বিশেষ করে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার অংশকে নিয়ে তাদের মধ্যে ভয়টা ছিল বেশি। তাই অনেকটা চাপের মধ্যেই নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। যেভাবে নানামুখী চাপে ২০১৪, ২০২৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগত থাকতে বাধ্য হয় দলটিকে।

নির্বাচনের পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছিলেন, একটি পক্ষ চাচ্ছে জাতীয় পার্টি যেনো নির্বাচন থেকে সরে যায়, আমরা সরছি না। জনগণের পক্ষের ভয়েজ হিসেবে শেষ পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com