1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে প্রতিবন্ধী শিশুক ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার নালিতাবাড়ীতে কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে সহায়তা পেলেন ২৯০ সেবাপ্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ পরিবার পাকিস্তানের আশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিল: রিজভী নালিতাবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপে ধরা, পালিয়েছেন দোকানী শপিংমল-মার্কেট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায় বরখাস্ত হলেন বিপ্লব, ইকবাল, রুহানীসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা শেরপুরে নিখোঁজ ধান ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ শ্রীবরদীতে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক যুব দিবসে নালিতাবাড়ীতে জামায়াতের যুব র‍্যালি

পাহাড়ি ঢলে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের ৩০ মিটার বিধ্বস্ত, নিম্নাঞ্চলে ঢলের পানি

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

শেরপুর : বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বিধ্বস্ত হয়ে নদীতে বিলীন হয়েছে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের প্রায় ৩০ মিটার পাকা সড়ক। দুই বছর আগে গোল্লারপাড় এলাকায় বন্যায় বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে নিম্নাাঞ্চলে। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়ালেও জেলার অন্যান্য পাহাড়ি নদীগুলোর পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই করছে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না থাকায় আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত শেরপুরে মোট ১৩৬ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ১১০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁওয়ে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারি এ বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কর্ণঝোড়া নদীর পানি তীব্র বেগে বইছে। ঝিনাইগাতি উপজেলার সোমেশ^রী ও মহারশি নদীর পানি তীব্র বেগে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চালের দিকে ছুটছে।

অন্যদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সন্ধ্যায় তা নেমে ৭৬ সেন্টিমিটারে চলে আসে। এছাড়াও শেরপুর সদর উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাহাড়ি ঢলের তীব্র গতির পানির তোড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ত্রিশ মিটার পাকা সড়কের অর্ধেকাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সরু অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন। এ সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে বড় যানবাহন চলাচল। গোল্লারপাড় চেল্লাখালী নদীর বেড়িবাঁধের প্রায় একশ মিটার ভাঙা অংশ দিয়ে নিম্নাাঞ্চলে প্রবেশ করছে ঢলের পানি। তবে বর্তমানে ফসলি জমিতে কোন আবাদ না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে এ অংশে ভাঙন হলেও এখনো পর্যন্ত তা মেরামত হয়নি। ফলে নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলেই প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়ে। কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ সরজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত নদীর বেড়িবাঁধ মেরামতের আশ^াস দিলেও এখনো পর্যন্ত কোন কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, আসন্ন আমন মৌসুমে এ স্থানের বাঁধ মেরামত করা না হলে নিম্নাাঞ্চলের আমন আবাদ ঢলের পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।

এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক। এসময় এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন রাতে জানান, শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাতে তাদের নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়াও গোল্লারপাড় অংশে নদীর বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রণালয় থেকে তা অনুমোদন করা হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে নদীর ওই বাঁধটিও নির্মাণ করব।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com