1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে নালিতাবাড়ীতে ফুটবল প্রতিযোগিতা মসজিদের ভেতরে চলছে জানাজা, বাইরে অশ্রুসিক্ত নয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপি মুখ ফিরিয়ে নিলে জামায়াত কি রাজনীতি করতে পারবে: নুর তিনি একাই প্রতারণার ১৩০ মামলার আসামি! ইউএনও কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হায়দার সংগ্রাম।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি আপার স্বামী অ্যাডভোকেট তৌফিক নেওয়াজ। মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক।

জানা গেছে , রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনরা। পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফিক নাওয়াজ।

তিনি ১৯৮০ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দ্য নিউ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অর্ডার প্রকাশ করেন। ওয়াধাম কলেজ, অক্সফোর্ডে পড়ার সময় তিনি কামাল হোসেনের একজন গবেষণা সহযোগী ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৩ সালে নওয়াজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের একজন সম্মানিত পরিচালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার প্রকল্পের সমন্বয়কারী ছিলেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com