1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের আসনসহ ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে গেজেট জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অতিরিক্ত দায়িত্বে হুমায়ুন কবির সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসূত্রের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা, দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি টেকনাফে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৩ শেরপুর সীমান্তে ৭০৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে বাসচাপায় প্রাণ গেল তিন বন্ধুর

করোনার মধ্যেও সুন্দরবনে হরিণ শিকারিরা সক্রিয়

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০

বাগেরহাট: সুন্দরবনে হরিণ শিকারীদের অপতৎপরতা থামছে না করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বেড়ে যাওয়ায় বুধবার থেকে পূর্ব সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করে বনবিভাগ। হরিণ শিকার থামাতে পাশাপাশি বনবিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুঁটিও বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু শিকারি চক্র থেমে নেই। রেড অ্যালার্টের মধ্যে চলছে তাদের অপকর্ম।ফলে হুমকির মুখে বনে হরিণের অস্তিত্ব। সমীক্ষা বলছে বছরে ১০ হাজারেরও বেশী হরিণ শিকার হচ্ছে। সুন্দরবন এলাকায় প্রায় ৫০টি শিকারিচক্র হরিণের মাংস, চামড়া, মাথা, শিং ও হাড় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এসব প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থাই নিতে পারছে না বন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে ১০ কেজি হরিণের মাংস। পাচারকালে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা শিকারিরা ককশিট ভর্তি মাংস ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি।পরিবেশবাদীরা বলেন, নানা সময় হরিণ, হরিণের মাংস, চামড়া, ফাঁদসহ শিকারীরা আটক হলেও দৃষ্টান্তমূলক সাজা হয়নি কারও। মুক্তি পেয়ে আবার শিকারে জড়িয়ে পড়ছে তারা। নানা তৎপরতার পরেও দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অবৈধ হরিণ শিকার নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। বনকে হরিণ উপযোগী করে গড়ে তোলাসহ অবিলম্বে হরিণ শিকারিদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সচেতন মহল বলছে প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এটি সম্ভব হচ্ছে। অবশ্য প্রশাসনের দাবি, বন বিভাগ, পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের যৌথ চেষ্টায় শিগগিরই বন্ধ হবে হরিণ শিকার।  রেঞ্জের এক কর্মকর্তা জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের সীমাবদ্ধতাসহ বন বিভাগের জনবল সঙ্কট রয়েছে। তাই এত কম জনবল নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় না।অন্যদিকে,  বনে শিকারিদের অবস্থান না জানায়, পাচারকারীদের ধরা গেলেও তাদের আটক করা যাচ্ছে না।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. শামসুল হক জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র হরিণের মাংস পাচার করছে গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে এদিন দুপুর দুইটার দিকে তিনি বনরক্ষীদের নিয়ে বনসংলগ্ন সোনাতলা গ্রামে অভিযান চালান। এসময় চোরা শিকারিরা বনরক্ষীদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ককশিটে ভরা মাংস ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িসংলগ্ন মাঠের একটি খাদের মধ্যে ফেলে পালিয়ে যায়।

শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, এ ব্যাপারে বন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা মাংস আদালতের অনুমতি নিয়ে বিকেলে রেঞ্জ অফিস চত্বরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. বেলায়েত হোসেন  জানান, সম্প্রতি সুন্দরবন থেকে বেশ কিছু হরিণ ধরা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। করোনার সুযোগ নিয়ে শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বুধবার থেকে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করে বনবিভাগের টহল জোরদার করা হয়েছে। করোনার ভয় উপেক্ষা করে বনরক্ষীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

– শেখ সাইফুল ইসলাম কবির

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com