1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা আজ বঙ্গভবনে যাবেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হবে গার্ড অব অনার ওড়িশা উপকূলে বাংলাদেশিসহ ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো জাহাজ নেত্রকোনায় শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী বিতর্ক কর্মশালা নালিতাবাড়ীতে জাসাসের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শেরপুরে ২২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপির ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শেরপুরে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা ‘ধর্মীয় কারণ নয়’, নদীভাঙন ঠেকাতে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি ‘তৌহিদী জনতার’ চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলে তালিকা করে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেরপুরে সাপের দংশনে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, চিকিৎসকের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

‘এক রাতেই সব দেশ থেকে আমার ছবি নামানো ছিল অপসারণের ইঙ্গিত’

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলো থেকে এক রাতের ব্যবধানে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে মূলত তাকে অপসারণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

একটি দেশে হাইকমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি দেখে একজন উপদেষ্টার উত্তেজিত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ওই রাতেই পৃথিবীর সব দেশে বাংলাদেশের হাইকমিশন ও কনস্যুলেট থেকে আমার ছবি নামিয়ে ফেলা হয়। ওই ঘটনা ছিল মূলত আমাকে অপসারণের ইঙ্গিত বা প্রথম ধাপ।

রাষ্ট্রপতির ভাষায়, একদিন হঠাৎ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি ঝুলতে দেখে সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের কনস্যুলেট ও হাইকমিশনগুলোতে রাষ্ট্রপতির ছবি রাখা একটি দীর্ঘদিনের রেওয়াজ, কারণ রাষ্ট্রপতিই রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই রীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ওই উপদেষ্টা সেখানে কনস্যুলেট প্রধানকে ভর্ৎসনা করেন, কেন রাষ্ট্রপতির ছবি এভাবে ঝুলছে।

রাষ্ট্রপতির মতে, ওই ঘটনার পর মাত্র এক রাতের মধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রায় সব হাইকমিশন ও কনস্যুলেট থেকে তার ছবি নামিয়ে ফেলা হয়।

দীর্ঘদিনের একটি রাষ্ট্রীয় রেওয়াজ এভাবে রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষায়, তখন তার মনে হয়েছিল, এটি হয়তো তাকে অপসারণের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে হয়তো তাকে জোর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হতে পারে— এই আশঙ্কা থেকেই তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যেও একটি নেতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেন রাষ্ট্রপতিকে আর রাখা হচ্ছে না। এসব অপমানজনক পরিস্থিতি সত্ত্বেও তিনি কেবল সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি অবশ্য ওই উপদেষ্টার নাম প্রকাশ করতে চাননি। ওই ঘটনার পর তিনি ক্ষোভ ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেন। তার ভাষায়, ওই চিঠিতে তিনি নিজের ক্ষোভ ও আপত্তির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

তথ্যসূত্র : কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com