1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বরাদ্দ করা কক্ষে উইপোকা, রাতে না থেকেই সার্কিট হাউস ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু তারেক রহমানের সফর নিয়ে জানানোর মতো তথ্য নেই: নয়াদিল্লি মাদারীপুরে ইতালি প্রবাসীর ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, আটক ১ সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ ধর্মকে পুঁজি করে যারা দেশকে বিভক্তি করতে চায় তাদের প্রতিরোধ করা হবে রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন : রিজভী একাত্তরে মুসলিম লীগ করায় শান্তি কমিটিতে ছিলেন আসিফ আকবরের বাবা

আলোচিত মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ এপ্রিল একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনজীবী মাসদার হোসেন কর্তৃক মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া কোটি টাকা আত্মসাৎ করা সংক্রান্ত সংবাদটি বার কাউন্সিলের গোচরীভূত হয়েছে। উল্লিখিত সংবাদমতে আইনজীবী মাসদার হোসেন ওই বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা ও পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্ন বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল আজকের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক উপাদান থাকায় সাময়িকভাবে তার সনদ স্থগিত করে তার সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অবধি তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত মো. মাসদার হোসেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবী। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। ১৯৯৯ সালে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার দাবিতে মামলাটি করেন। এই মামলার রায়ের মাধ্যমেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।

মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com