1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

পাহাড়ে সংঘাত-বিভাজন চাই না, রাষ্ট্রের সঙ্গে অবিশ্বাস-দূরত্বও নয়: কেএস মং

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

বান্দরবান : “আমরা পাহাড়ে সংঘাত-বিভাজন চাই না। আমরা চাই না আদিবাসী জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে অবিশ্বাস ও দূরত্ব বাড়ুক”- আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং মারমা।
‘আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে আদিবাসী সমাজের সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ করা’ প্রতিপাদ্যে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপিত হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বান্দরবান আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে স্থানীয় রাজার মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকেরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াইং চ প্রু মাস্টার।

পরে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি ডা. মং উষাথোয়াইয়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং মারমা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কৌশলগত কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ আমল থেকে এ অঞ্চল নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখনো বিভিন্ন ভূঁইফোড় সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামের মূলধারার আন্দোলন ও পার্বত্য চুক্তির বিরোধিতা করে যাচ্ছে।
সমাবেশ থেকে সরকারের কাছে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ ও কার্যকর বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ, চলমান সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় আদিবাসীদের যথাযথ সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা এবং আদিবাসীদের নিয়ে কোনো নীতি, আইন বা প্রতিষ্ঠান গঠনের ক্ষেত্রে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

বক্তারা বলেন, আদিবাসীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।

অনুষ্ঠানে আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কৃপা ত্রিপুরা, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী রিপন চক্রবর্তীসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এছাড়া বান্দরবানে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, বম, লুসাই, খুমীসহ ১১টি জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ বর্ণিল সাজে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com