1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা: ১৫০০ নিখোঁজ, ৮০০ জনই বিদেশি দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস ঢাকার ৩ বস্তির আধুনিকায়নে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীন নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নেপালের ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার নেপথ্যে কী? ধর্ষণের আলামত মেলেনি তবে ময়নাতদন্তে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য জমি নিয়ে বিরোধ: এক পক্ষকে কোপানোর পর অন্য পক্ষের বাড়িঘরে লুট প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি, প্রমাণের জন্য পাশে রেখেছিল কাটা মাথা ৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালে দায়ের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনকে আসামি করে পৃথক ১৫টি মামলা করে দুদক। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়। অপর আসামিরা হলেন- এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম।

এর বাইরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এক মামলায়, আহমেদ আকবর সোবহানকে দুই মামলায়, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ, আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়। তারা প্রত্যেকেই এসব মামলায় খালাস পেয়েছেন।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এসব মামলা দায়ের করে সংস্থাটি। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলাগুলোর অভিযোগে বলা হয়, পরিত্যক্ত বাড়ি নম্বর এনডব্লিউ (আই)-৬, রোড নম্বর-৫৩, গুলশান, ঢাকার নিলাম দরপত্র আহ্বান করা হয়। বাড়ি নম্বর কে-৬, সড়ক নম্বর-৮৯, গুলশান, বাড়ি নম্বর সিএনজি-১৬,সড়ক-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর বি-৫, সড়ক নম্বর-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর-১২০, সড়ক-২, পুরাতন ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-১৩৯, সড়ক নম্বর-২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/বি (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১৪ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/বি, সড়ক নম্বর-১৪ ধানমন্ডি, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর ও ১৮ নম্বর কলেজ স্ট্রিট, বাড়ি নম্বর-৭/১, নওরতন কলোনি, শান্তিনগরসহ সর্বমোট ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো পাইয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে নিজে লাভবান হয়ে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার অর্থের ক্ষতি সাধন করেন।

সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দ্য বাংলাদেশ অ্যাবানডন্ড প্রপার্টি (কন্ট্রোল, ম্যানেজমেন্ট ও ডিসপোজাল) অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী উল্লিখিত ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির ব্যবস্থা না করে লাভবান ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের লাভবান করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দর বেশি হওয়া সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে রাজউক কর্তৃক সাজানো কম মূল্যের দরপত্রের মাধমে মূল্যায়ন না করে বিক্রির অনুমোদন করেন। আসামি মির্জা আব্বাসসহ অপর আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com