1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের আসনসহ ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে গেজেট জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অতিরিক্ত দায়িত্বে হুমায়ুন কবির সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসূত্রের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা, দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি টেকনাফে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৩ শেরপুর সীমান্তে ৭০৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে বাসচাপায় প্রাণ গেল তিন বন্ধুর

সোহেল রানার ইচ্ছা মনে রেখে ৪০ বছর পর রুবেলের দামি উপহার

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রায় চার দশক আগে শোরুমে দাঁড়িয়ে একটি দামি ঘড়ির প্রতি মুগ্ধ হয়েছিলেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা। ঘড়িটি কেনার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও সে সময় সামর্থ্য না থাকায় খালি হাতেই ফিরতে হয়েছিল তাকে। তবে বড় ভাইয়ের সেই ছোট্ট ইচ্ছার কথা ভুলে যাননি ছোট ভাই চিত্রনায়ক রুবেল।

প্রায় ৪০ বছর পর সেই স্মৃতি মনে রেখে বড় ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন একটি দামি ঘড়ি। ছোট ভাইয়ের ভালোবাসায় ভরা এই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে চার দশক আগের সেই দিনটির স্মৃতিতে ফিরে গেছেন সোহেল রানা।
সোহেল রানা ও রুবেল দুই ভাইই দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের পরিচিত মুখ। বড় ভাইয়ের প্রতি রুবেলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে এসেছে। এবার পুরোনো একটি স্মৃতি ধরে রেখে দেওয়া উপহারের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্কের আরও একটি আবেগঘন দৃষ্টান্ত সামনে এলো।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রায় চার দশক আগের সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন সোহেল রানা। তিনি বলেন, চিকিৎসার জন্য একসময় আমাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি, শহীদুল ইসলাম খোকন ও রুবেল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা করার পর চিকিৎসক বললেন, ‘তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ।’ মনের আনন্দে হাসপাতাল ছেড়ে হোটেলে উঠলাম। বিকেলে বেরিয়ে গেলাম।

চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

স্মৃতিচারণ করে সোহেল রানা লেখেন, দামি ঘড়ি কেনার আমার একটা শখ ছিল। রাডো হাতে ছিল, যার ওপর দিয়ে ট্রাক গেলেও ঘড়ির কিছুই হতো না। তারপরও মনে হলো আরও একটা দামি ঘড়ি কিনব। দোকানে গেলাম। সঙ্গে রুবেল এবং খোকন।

দোকানের বিশাল শোরুমে তার সামনে সবচেয়ে দামি একটি ঘড়ি আনা হয়েছিল। কিন্তু সেটির দাম শুনে চমকে যান সোহেল রানা। তখন সেই ঘড়ি কেনার মতো অর্থ তার কাছে ছিল না। ফলে পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও ঘড়িটি না কিনেই ফিরে আসতে হয় তাকে। তবে বড় ভাইয়ের সেই ঘড়িটির প্রতি মুগ্ধতা ছোট ভাই রুবেলের নজর এড়ায়নি।

প্রায় চার দশক পর সেই পুরোনো স্মৃতিই নতুন করে ফিরিয়ে আনেন রুবেল। একই ঘড়ি না হলেও বড় ভাইকে যে ঘড়িটি উপহার দিয়েছেন, সেটিও অত্যন্ত দামি বলে জানিয়েছেন সোহেল রানা।

উপহার দেওয়ার মুহূর্তের কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, গতকাল আমার বাসায় এসে আমার হাতটা টেনে নিয়ে একটা ঘড়ি পরিয়ে দিল বলল, যে ঘড়িটার দিকে তুমি তাকিয়েছিলে তার দাম এখন আমার নাগালের বাইরে এক কোটি থেকে দেড় কোটি। কিন্তু তারপরেও যে ঘড়িটা আমাকে দিল, দাম বলবো না।

রুবেলের এই উপহারে শুধু দামি ঘড়ি নয়, বড় ভাইয়ের প্রতি তার দীর্ঘদিনের ভালোবাসাই প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে করেন সোহেল রানা। তিনি লেখেন, দাম দিয়ে সবকিছু কেনা যায় না, হৃদয় থাকতে হয়, ভালোবাসা থাকতে হয়। আমার সেই ইচ্ছেটা মনে রেখে চল্লিশ বছর পরে বড় ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক দামি একটা ঘড়ি নিয়ে এলো।

ঘড়িটি বড় ভাইয়ের হাতে পরিয়ে দিয়ে সেটি সবসময় পরে থাকার কথাও বলেন রুবেল। ছোট ভাইয়ের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সোহেল রানা। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, আমি শুধু তাকিয়ে রইলাম। মনে মনে ভাবলাম, কথাটা না বললেও চলত। আমৃত্যু এই ঘড়ি আমার হাতেই থাকবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com