1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

যেসব খাবার ফ্রিজে রাখবেন না

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

লাইফ স্টাইল ডেস্ক : ফ্রিজ সব ধরনের খাবার রাখার জন্য নয়। কিছু খাবারকে ফ্রিজে রাখলে মান কমে যেতে পারে অথবা স্বাদ নষ্ট হতে পারে অথবা তাড়াতাড়ি পঁচে যেতে পারে। এখানে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত নয় এমন আটটি খাবারের তালিকা দেয়া হলো।

টমেটো: পাকা টমেটো ফ্রিজে নয়, কক্ষ তাপমাত্রায় রাখাই ভালো। ফ্রিজের ঠান্ডা তাপমাত্রায় টমেটোর টেক্সচার ও ফ্লেভার উভয়ই প্রভাবিত হয়। তবে ২০২০ সালে ফ্রন্টিয়ারস ইন প্লান্ট সায়েন্সে প্রকাশিত একটি গবেষণায় পাকা টমেটোকে একদিন-দুইদিন ফ্রিজে রাখার পর কক্ষ তাপমাত্রায় রাখা পাকা টমেটোর সঙ্গে তুলনা করে রঙ ও স্বাদে তেমন পরিবর্তন পাওয়া যায়নি। এর আগের কিছু গবেষণায় পাকা টমেটো দীর্ঘসময় ফ্রিজে রেখে কক্ষ তাপমাত্রায় রাখা পাকা টমেটোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল, যেখানে ফ্রিজে রাখা টমেটোর টেক্সচার ও ফ্লেভারে ব্যাপক অবনতি দেখা গেছে।

আলু: আলু কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না। রেফ্রিজারেশন আলুর স্টার্চকে দ্রুত সুগারে পরিণত করে। ফ্রিজে রাখা আলু বেক বা ফ্রাই করা হলে এসব সুগার ক্যানসার-সৃষ্টিকারী কেমিক্যাল অ্যাক্রিলামাইড উৎপাদন করতে পারে। আলু শীতল ও অন্ধকার স্থানে রাখুন। আলু অন্ধকারে রাখলে সবুজ হবে না। সবুজ আলু মানে বিষাক্ত আলু।

মিষ্টি কুমড়া: মিষ্টি কুমড়া ফ্রিজে রাখলে এর ভেতরটা দ্রুত খারাপ হতে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ঘরের ঠান্ডা ও অন্ধকার স্থানে রাখুন। মিষ্টি কুমড়ার শক্ত খোসা দীর্ঘসময় ধরে ভেতরটাকে সুরক্ষিত রাখবে। এই সবজিকে কক্ষ তাপমাত্রায় মাসের পর মাস সংরক্ষণ করা যায়।

কফি: অনেকে কফির প্যাকেট বা কৌটা ফ্রিজে রাখেন, কিন্তু এটা কফি সংরক্ষণের সর্বোত্তম স্থান নয়। কফি ফ্রিজে রাখলে এর পাশে থাকা অন্যান্য খাবারের ফ্লেভারকে টেনে নেয়। ফলে স্বাদ চলে যায় ও গন্ধ বদলে যায়। তাই প্রকৃত ফ্লেভার ধরে রাখতে কফি কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন।

পাউরুটি: এটা ঠিক যে পাউরুটি ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘসময় ছত্রাক ধরবে না, কিন্তু এর বিনিময়ে স্বাদ হারাতে হবে। রেফ্রিজারেশনে পাউরুটি শুকিয়ে যায় ও খেতে ততটা সুস্বাদু হয় না। পাউরুটি কক্ষ তাপমাত্রায় দুই থেকে চার দিন সংরক্ষণ করা যায়। তবে ফ্রিজে সাত থেকে ১৪ দিন ভালো থাকে।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ না কাটলে অথবা খোসা না ছাড়ালে ঠান্ডা, শুষ্ক, অন্ধকার ও বায়ু চলাচলের স্থানে রাখা উচিত। পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের অভাবে পেঁয়াজ তাড়াতাড়ি পঁচে যায়। তাই গোটা পেঁয়াজকে ফ্রিজে সংরক্ষণ করবেন না। তবে খোসা ছাড়ানো পেঁয়াজকে ফ্রিজে রাখতে পারেন। গোটা পেঁয়াজের মতো খোসা না ছাড়ানো রসুনকেও কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা উচিত।

মধু: মধু ফ্রিজে সংরক্ষণ না করে ঘরের ঠান্ডা স্থানে আবদ্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করুন। সরাসরি সূর্যের আলো আসে এমন স্থানে রাখবেন না। মধু ফ্রিজে রাখলে খুব বেশি ঘনীভূত হয়ে যায়, যার ফলে ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ব্যবহারের সময় জটিলতা এড়াতে মধু ফ্রিজে সংরক্ষণ না করাই ভালো।

জ্যাম বা জেলি: অনেক সময়ে আমরা জ্যাম বা জেলিকে ফ্রিজে রাখি। তবে তা করলে এর মধ্যে থাকা প্রিজারভেটিবস দানা বেঁধে যায়। তাই তা কখনো করা উচিত নয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com