1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

শ্রীবরদীতে শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বন্দ্ব : ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

শ্রীবরদী (শেরপুর) : শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের হাঁসধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারি শিক্ষিকাদের দ্বন্দ্ব এখন চরমে। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে সহকারি শিক্ষিকাদের ভয়ে স্কুলে যেতে পারে না প্রধান শিক্ষক। এসব অভিযোগ তুলে ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান থানায় সাধারণ ডায়েরিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারি শিক্ষিকাদের দ্বন্দ্বের কারণে নিয়মিত ক্লাশ হচ্ছে না। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এই বিদ্যালয়ে তিনজন সহকারি শিক্ষিকা। তারা হলেন, জিন্নাতুন নেছা, হোসনে আরা ও সুরমা আক্তার। তারা রহস্যজনক কারণে দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ে পাঠদানসহ নানা বিষয়ে দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে আসছেন। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে সহকারি শিক্ষিকা জিন্নাতুন নেছার ছোট ভাই স্থানীয় ভায়াডাঙ্গা বাজারে তাকে প্রকাশ্যে মারধর করে। এ নিয়ে ওই সময় তাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দেন তিনি। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তির হস্তক্ষেপে বিষয়টি আপোষ মিমাংসা হয়। সম্প্রতি জিন্নাতুন নেছা বিদ্যালয়ে দেরিতে আসার বিষয়টি উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসারকে জানান তিনি। এ নিয়ে ওই তিন শিক্ষিকা তাকে বিদ্যালয়ে লাঞ্চিত করে। এমনকি বিদ্যালয়ে গেলে তাকে মারধর করবে বলে হুমকি দেয়। এ ভয়ে তিনি বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না। এ জন্য তিনি নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারি শিক্ষিকা জিন্নাতুন নেছা বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাদের তিনজনের সাথে প্রায়ই দুর্ব্যবহার করে। আমরা তার কোনো প্রতিবাদ করি না। আমরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসি। এমনকি বিদ্যালয় ভাল করার জন্যে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল আলীম এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই শিক্ষিকারা এই বিদ্যালয়ে থাকলে যে কোনো মূর্হুতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে তাদেরকে অন্যত্র বদলীর আবেদন করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার এসআই শফিকুর রহমান শফিক রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এখন চরমে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউল হক বলেন, এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com