1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটাভুটিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ ঘোষণা অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির

শান্তির ‌‘অলিম্পিক গোল’ আর তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে ৮ গোলের জয় বাংলাদেশের

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

স্পোর্টস ডেস্ক : এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের জয়যাত্রা চলছেই। প্রথম ম্যাচে ৩-১ গোলে লাওসকে হারানোর পর আজ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৮-০ গোলে পূর্ব তিমুরকে উড়িয়ে দিয়েছে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। গোল করার প্রতিযোগিতার দিনে হ্যাটট্রিক করেছেন তৃষ্ণা। এ ছাড়া সাগরিকা, নবিরুন, শিখা, শান্তি ও মুনকি একটি করে গোল করেন। 

দুই অর্ধেই বাংলাদেশ চারটি করে গোল করে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে তৃষ্ণা প্রথম গোল করেন। ৫৩ মিনিটে তিনি দলের পঞ্চম ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। ৮৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এ ফরোয়ার্ড। তৃষ্ণার তৃতীয় গোলে অবদান মোসাম্মৎ সাগরিকার। তিনি ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালের উদ্দেশে ঠেলে দেন। ফাঁকা পোস্টে প্লেসিংয়ে দুর্দান্ত গোল করেন তৃষ্ণা।

এর আগে ৭২ মিনিটে একক প্রচেষ্টায় দারুণ গোল করেন সাগরিকা। মধ্য মাঠ থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। গত পরশু লাওসের ম্যাচেও জোড়া গোল করেছিলেন সাগরিকা। প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়েও বাংলাদেশ গোল পায়। মুনকি আক্তারের গোলের সঙ্গে সঙ্গে রেফারি ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজান।

ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গোল করেছেন শান্তি মারডি। ৩২ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করেন তিনি। ডান প্রান্ত থেকে তার নেওয়া কর্নার কিক সরাসরি জালে জড়ায়। কর্নার থেকে কোনো ফুটবলারের স্পর্শ ছাড়াই সরাসরি বল জালে জড়ালে সেটা ‘অলিম্পিক গোল’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়। শান্তির গোলটি অনেকটা সেই রকমই ছিল।

তিন মিনিট পর একই প্রান্তে বাংলাদেশ আবার কর্ণার পেয়ে আরেকটি গোল করে। এবার গোলের যোগানদাতা শান্তি। তার নেয়া কর্ণারে বক্সের মধ্যে নবিরুন খাতুন হেড করে গোল করেন। প্রথমার্ধে বাংলাদেশের চারটি গোলের তিনটিই কর্ণার থেকে। ২০ মিনিটে বা প্রান্ত থেকে স্বপ্না রাণীর কর্ণারে শিখা হেডে বল জালে জড়ান।

বাঁ প্রান্তে স্বপ্না আর ডান প্রান্তের কর্নার কিকগুলো শান্তি নিয়েছেন। বাংলাদেশ এই পরিকল্পনায় প্রথমার্ধে তিন গোল আদায় করে। দ্বিতীয়ার্ধের চারটি গোলই আবার ফিল্ড প্লে থেকে পেয়েছে বাংলাদেশ। উভয় দিকেই সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন আফিদারা।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-১ গোলে স্বাগতিক লাওসকে পরাজিত করেছিল। দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৬ ও গোল ব্যবধান ১০। বাংলাদেশের গ্রুপের শেষ ম্যাচ শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে বাস্তবিক অর্থে পয়েন্ট আদায় করা অসম্ভব আফিদাদের জন্য। কোরিয়া এই গ্রুপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন। ফলে বাংলাদেশের লক্ষ্য ভালো গোল ব্যবধান রেখে রানার্সআপ পজিশনে থাকা। যেন আট গ্রুপের মধ্যে সেরা তিন রানার্স-আপ হয়ে আগামী বছর মূল পর্বে খেলা যায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com