1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন থেকে অভিনেত্রী স্বরার স্বামী গ্রেপ্তার ‘একটা ঘর আর তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা হলে মরেও শান্তি পাইতাম’ মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ভিডিও ভাইরালের পর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির, বিয়ে কবে হয়েছে? ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা: হজযাত্রীদের বিমানভাড়া কমছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৩ জনের মৃত্যু স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী এই ক্ষত শুকাতে অনেক সময় লাগবে: মেসি সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী সমাজসেবার লক্ষ্যে আলেপ আলী ফাউন্ডেশন উদ্বোধন, অনুদান বিতরণ

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যাদের রাজপথে দেখা যায়নি, তারা ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তিনি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতি ঐক্য বজায় রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

 সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শরিক নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ধৈর্য ধারণের বিকল্প নেই। কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও তা বিভেদের কারণ হওয়া উচিত নয়।

একটি রাজনৈতিক দলকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। অথচ আজ অনেকেই সেই আন্দোলনের দাবিদার হতে চায়। নাম বলতে চাই না, তবে “গুপ্ত” শব্দটি ব্যবহার করলেই মানুষ তাদের চিনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাদের কোথাও দেখা যায়নি। আমরা তাদের অনেক খুঁজেছি। কিন্তু ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর এই গুপ্তবাহিনী ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে। দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে এসব গুপ্তদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোই স্বৈরাচারের সময় জনগণের সামনে সংস্কারের রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল। তার দাবি, জনগণ ওই ৩১ দফার পক্ষেই রায় দিয়েছে এবং এটি এখন জনগণের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘৩১ দফা আমরা সবাই মিলে প্রণয়ন করেছি। তাই এর বাস্তবায়নেও সমমনা রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতের অবস্থা ভঙ্গুর ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মানুষের স্বস্তি ফেরাতে কাজ করছে। শতভাগ সফল না হলেও জনগণ কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যমুনায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তাদের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এ সময় জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরামসহ বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে একই টেবিলে নৈশভোজে অংশ নেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com