1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যাচ্ছেন আজ জুলাই শহিদদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান টুকরা করে ১১টি পলিথিনে ভরা হয়েছে নারীর লাশ, এখনো উদ্ধার হয়নি মাথা ও পা নবজাগরণ একাডেমিতে বৃত্তি বিতরণে বিভ্রান্তির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জুলাইযোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দাফন হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ নালিতাবাড়ীতে ইয়াবাসহ আটক ছাত্রদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি ঝিনাইগাতি সীমান্তে ৬শ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

১/১১ তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : ওয়ান-ইলেভেনের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা ‘জেআইসি সেলে’ আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আগের সরকার দেশে একটি অমানবিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। সরকার ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করতে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এসব গোপন বন্দিশালা ব্যবহার করা হতো। সেখানে অনেক ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এক/এগারর সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরে বন্দি রাখা হয়েছিল। আমরা পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পেয়েছি।’

আমিনুল ইসলাম আরও জানান, এসব গোপন বন্দিশালা পরিচালনা ও নির্যাতনের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তে নতুন করে কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও আইনের মুখোমুখি করা হবে বলে জানান তিনি।

তবে ৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করার অভিযোগও করেন চিফ প্রসিকিউটর। তার দাবি, বিভিন্ন স্থানে দেয়াল তুলে কিছু অংশ আড়াল করা হয়েছে এবং বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণ ধ্বংস করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনি বৈধতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় ঘটনাস্থলের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখা এবং সেখানে থাকা আলামত সম্পর্কে ধারণা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেও এ ধরনের পরিদর্শন সহায়ক হবে।

এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতিরা ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত ডিজিএফআই সদর দপ্তরের জেআইসি সেলের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজার নেতৃত্বে পরিদর্শন দলে চিফ প্রসিকিউটর এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও ছিলেন।

এর আগে উত্তরায় র‍্যাব পরিচালিত একটি কথিত বন্দিশালা বা ‘গুমঘর’ও পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, র‍্যাব ও ডিজিএফআই পরিচালিত কথিত বন্দিশালায় মানুষকে গুম করে আটকে রাখার অভিযোগে দুটি মামলা বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। এসব মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com