1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সিএনজি-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩ অবশেষে ভেসে উঠলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : শামা ওবায়েদ দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর, ঘরে মিলল নবজাতকসহ ৩ জনের অর্ধগলিত মরদেহ বরাদ্দ করা কক্ষে উইপোকা, রাতে না থেকেই সার্কিট হাউস ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু তারেক রহমানের সফর নিয়ে জানানোর মতো তথ্য নেই: নয়াদিল্লি মাদারীপুরে ইতালি প্রবাসীর ঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, আটক ১ সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

অবশেষে ভেসে উঠলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টানা ছয়দিন কাপ্তাই হ্রদের পানির নিচে ডুবে থাকার পর অবশেষে ভেসে উঠলো রাঙামাটির সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু। শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিকাশ চাকমা বলেন, শুক্রবার বিকেলের দিকে ঝুলন্ত সেতু থেকে পানি সরে গেছে। আমরা সেতুটি সংস্কারের কাজ করছি। আপাতত আগত পর্যটকদের কাছ থেকে ঝুলন্ত সেতুতে চলাচলের জন্য কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না। পানি যে সরে গেছে সেটা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নোটিশ দিলে আমরা ফের পর্যটকদের কাছ থেকে সেতুতে চলাচলের জন্য টিকিটের টাকা নিবো।

এর আগে, গত ২৯ আগস্ট কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুটি ডুবে যায়। জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এরপর নিরাপত্তার কারণে সেদিন দুপুর থেকে সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এরপর সেদিন রাত ৮ টায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের প্রতিটি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া শুরু হয়। রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ১৬টি গেট দিয়ে প্রায় ১৮ হাজার কিউসেক পানি প্রতি সেকেন্ডে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হয়েছিলো। পরে গত ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টা থেকে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া শুরু হয়। এখনো এ পানি ছাড়া অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাঙামাটি সদর উপজেলার তবলছড়ি এলাকায় পর্যটন করপোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করেছিলো। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারের ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথে ও স্থলপথে যে কোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ হিসেবে দেশবিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com