1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ লাল জবা ফুলে মায়াবী রূপে পূজা চেরি রাজবাড়ীতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ছাত্রদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে, তবে লেখাপড়া ছেড়ে নয়: মঈন খান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে আগুন পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট নিখোঁজ বৃদ্ধ সারোয়ারের সন্ধান চায় পরিবার ঝিনাইগাতীতে জেলা প্রশাসকের বাফার গোডাউন পরিদর্শন

রামপালে কয়লার বদলে হবে ৪৬০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষায় রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে কয়লাভিত্তিক প্রকল্পের পরিবর্তে ৪৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে হেলেন জেরিন খানের উত্থাপিত নোটিশের জবাবে বিদ্যুৎ খাতের সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরার সময় তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৪৬০ মেগাওয়াট।

একই সঙ্গে মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্রকল্পের অব্যবহৃত অ্যাশ পন্ড এলাকাতেও ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংসদে দেশের বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ চাহিদা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিকল্পনা তুলে ধরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ২৪ থেকে ২৫ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। এ চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বায়ু, বর্জ্য, পানি, ভাসমান সোলার ও এগ্রি-ভোল্টাইকসের মতো অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় কাঠামো আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রাংশ আমদানিতে আগামী ছয় মাস পূর্ণ করছাড়ের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ছয় মাসে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করবে বলে জানান তিনি।

সরকারি জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘সরকারি জমিতে প্রকল্প উন্নয়ন নির্দেশিকা ২০২৬’ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ‘বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নীতিমালা ২০২৫’ জারি করা হয়েছে বলেও সংসদে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, নেট মিটারিং গাইডলাইন, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবসায়িক মডেল চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হুইলিং চার্জ ও ক্রস-সাবসিডি চার্জ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও দ্রুত সমাধানের কাজ চলছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com