1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
‘ধর্মীয় কারণ নয়’, নদীভাঙন ঠেকাতে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি ‘তৌহিদী জনতার’ চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলে তালিকা করে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেরপুরে সাপের দংশনে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, চিকিৎসকের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪ মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্ণামেন্ট ফাইনাল মাতালেন কেয়া পায়েল-অমিত হাসান শেরপুরে ফুটবল ফাইনালে অমিত হাসান-কেয়া পায়েল, মাঠে দর্শকের ঢল জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী স্টার্কের ৬ উইকেটের জবাবে শরীফুলের ৬, রোমাঞ্চকর দিনে ১০১ রানে এগিয়ে অজিরা ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

আসছে নতুন মুদ্রানীতি, লক্ষ্য বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান জোরদার

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে মন্দা মোকাবিলায় চাহিদা, উৎপাদন, ভোগ এবং ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোয় গুরুত্ব দিয়ে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মাধ্যমে চলমান অর্থনীতিতে অতিরিক্ত দেড় লাখ কোটি টাকা সরবরাহ করা হবে।

মুদ্রানীতিটি হবে এক বছর মেয়াদি, যার কর্মপন্থা বা রূপকল্প বুধবার (২৯ জুলাই) ঘোষণা করা হবে। প্রতিবার সংবাদ সম্মেলন করে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হলেও এবার করোনার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হবে।

করোনায় ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার স্বল্প ও মধ্য মেয়াদে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২০ শতাংশ অর্জন এবং মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪০ শতাংশে রাখতে চায়। আর্থিক কর্তৃপক্ষ হিসাবে সরকারকে এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা দিতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি।

মুদ্রানীতি প্রণয়নে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আয় উৎসারী কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করা হবে এবারের (২০২০-২১ অর্থবছর) মুদ্রানীতির মাধ্যমে। উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে উৎসাহ দিতেও থাকবে সহজ শর্তে এবং কম সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ। এজন্য বেসরকারিখাতে বাড়ানো হবে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার।

সূত্রমতে, অর্থনীতিতে মুদ্রানীতির ৭ অভীষ্ট লক্ষ্য থাকে। এগুলো হলো-লক্ষ্যমাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জন, বেকারত্ব দূর, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, সুদের হার নিয়ন্ত্রণ, যৌক্তিক বিনিময় হার এবং মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

এবার নতুন মুদ্রানীতির সবকটি লক্ষ্য ভারসাম্যপূর্ণভাবে অর্জন করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  বিশেষ করে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র, মাঝারি, বড়সহ সব ধরনের শিল্প, কৃষিসহ সব পর্যায়ে উৎপাদন ঠিক রাখতে ঋণের জোগান বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে চলমান টাকার সরবরাহের বাইরে আরও অতিরিক্ত প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা জোগান দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে।

তবে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি সময়োপযোগী হলেও এর কিছু সুবিধা-অসুবিধাও রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত বলেন, এই ধরনের মুদ্রানীতিতে দেশীয় মুদ্রার মান বিদেশি মুদ্রার তুলনায় হ্রাস পায়। অর্থাৎ মুদ্রার ক্রয়-ক্ষমতা কমে যায়। তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে মুদ্রা সরবরাহ বেড়ে গেলে ব্যাংক সুদ হার কমে যায়, এতে ব্যবসায়ীরা অল্প সুদে ঋণ নিতে পারে। এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। নতুন নতুন কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় যখন মানুষের হাতে বেশি বেশি অর্থ থাকে, তখন সে বেশি দামে পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ হয়। যার পরিণামে উচ্চমাত্রার মূল্যস্ফীতির সম্ভাবনা দেখা দেয়।

কোন ধরনের মুদ্রানীতি আসছে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিটি মুদ্রানীতির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে। তা অর্জনের উদ্দেশ্যেই এর রূপকল্প বা কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। তবে এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com