
চট্টগ্রাম: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ৩০ জুন বা ৩১ ডিসেম্বরকে ডেডলাইন ধরে কাজ করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। যেকোনো প্রকল্পের সার্বিক গতিধারায় সরকারের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে কাজের গুণগত মান বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লাইভলিহুডস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস সেক্টর প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের ষষ্ঠ প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভৌগোলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিবেচনায় অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। প্রশাসনে গতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সকল কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সৎ, দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা এই উন্নয়নযাত্রাকে আরো বেগবান করবে।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। এতে অন্যদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যুগ্মসচিব খাদিজা পারভীন, অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আবুল কাসেম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম কুমার চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দীন এবং প্রকল্প পরিচালক পবন কুমার চাকমাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।