1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তার নির্দেশনা ডিসির  প্রেসক্লাব নকলা’র নতুন কমিটি: সভাপতি রানা, সম্পাদক রিজন বান্দরবানে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৮ ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন নেই, অগ্নিঝুঁকিতে সুন্দরবন সংলগ্ন ২৪ রিসোর্ট লাখ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়ে মারাত্মক সংকটে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূজার ছুটিতে কীভাবে চলবে মেট্রোরেল, জেনে নিন সময়সূচি পূজায় অংশ নিলে ইমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব ক্ষতিপূরণ পেল সৌদিতে নিহত প্রবাসী নুরুল হকের পরিবার পে-স্কেল চালু হলেও আগের হারেই ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন করা কঠিন: ইসি মাছউদ

পূজায় অংশ নিলে ইমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: উদারতার নামে কোনো মুসলমান পূজায় অংশ নিলে কিংবা তাকে সঠিক মনে করলে তার ইমান থাকবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। তবে বাংলাদেশে বসবাসরত অমুসলিমদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি জুমার বয়ানে এসব কথা বলেন খতিব মুফতি আব্দুল মালেক।

তিনি বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। এই শিরক থেকে মানবজাতিকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সমস্ত নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

অমুসলিমদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রসঙ্গে খতিব বলেন, দেশে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ পরিসরে ধর্ম পালন করার অধিকার রয়েছে এবং এতে ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তারা যেন নিরাপদে তাদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও জরুরি দায়িত্ব।

তবে আকিদাগত অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি সতর্ক করেন, কোনো মুসলমান যদি উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হয় কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বা সমর্থন করে, তবে তার ঈমান থাকবে না। নিরাপত্তা দেওয়া এবং আকিদাগতভাবে শিরককে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

বয়ানে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুফতি আব্দুল মালেক বলেন, তায়েফের ময়দানে চরম নির্যাতন ও রক্তাক্ত হওয়ার পরও মহানবী (সা.) জালিমদের ধ্বংস চাননি। তিনি তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এই আশায় যে, তারা ঈমান না আনলেও হয়তো তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকবে। মুসলমানদেরও নিজ ধর্মের মূল আকিদা অক্ষুণ্ন রেখে সমাজে শৃঙ্খলা ও ইনসাফ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com