
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমানে ইরানের কোনো নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নেই; দেশটির সেনাবাহিনী এবং অর্থনীতিও তছনছ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এ কথা বলে তিনি।
ট্রাম্প ওই পোস্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ইসরায়েলিদের বলেছেন, মঙ্গলবারে নেতানিয়াহুর পুনরায় নির্বাচিত হওয়া প্রয়োজন, যাতে এই দুই নেতা ইরানের বিরুদ্ধে ‘কাজটি শেষ করতে’ পারেন।
নেতানিয়াহুকে নিয়ে বিগত দিনের কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘আমরা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালিয়েছিলাম, বর্তমানে ইরানের কোনো নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনী নেই। দেশটির সেনাবাহিনী ও অর্থনীতি দুটিই তছনছ হয়ে গেছে, যার একটি বড় প্রমাণ হলো সেখানে মূল্যস্ফীতি এখন ৩০১ শতাংশে পৌঁছেছে। নৌঅবরোধের কারণে তারা তেল রফতানি করতে পারছে না। তাদের সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় স্তরের শীর্ষ নেতৃত্বই নির্মূল হয়ে গেছে।’’
পোস্টে ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি নিজের সমর্থনপত্রটি পুনরায় তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইসরায়েলের শত্রুরাসহ সবাই জানে, যৌথভাবে বিজয় অর্জনে নেতানিয়াহু ও তার মধ্যে একটি চমৎকার ও কার্যকর সম্পর্ক রয়েছে।
নিজের অতীতের বিভিন্ন সামরিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, তিনি অতীতে ভেনেজুয়েলায় সফল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। যা ইতিহাসের অন্যতম সেরা অপারেশন হিসেবে বিবেচিত। তার আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ পরিচালনার মাধ্যমে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা থেকে সফলভাবে বিরত রাখতে পেরেছেনও বলে দাবি তার।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল