1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: কাভার্ডভ্যানে আগুন মিরপুরে হামলা-সংঘর্ষের মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার, গ্রেপ্তার ৪৮ ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য মেলার অবশিষ্ট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৬৭০ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের গার্মেন্টস ‍শিল্পে ভাঙচুর-সহিংসতায় বিদেশি ক্রেতারা অন্য দেশে চলে যাচ্ছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন বিএনপির এলিজা জামান সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজীপুর-সাভারের ১৭৭ কারখানায় ছুটি ঘোষণা

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে এ দুই এলাকায় অন্তত ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন এবং পরে বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করেন। তাদের আন্দোলনের মুখে ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

জানা যায়, রোববার সকাল থেকে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন। পরে তারা কারখানা থেকে বের হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অন্যান্য পোশাক কারখানার শ্রমিকরাও আন্দোলনে যোগ দেন।

দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় আন্দোলনরত শ্রমিকদের থামানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এদিকে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ডে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। পরে বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ পোশাক শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তকরণ বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন তারা। তারা বিভিন্ন অজুহাতে ইচ্ছেমতো শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধের দাবি জানান।

কমফোর্ট কালেকশন নামে একটি পোশাক কারখানার অপারেটর রাজু আহমেদ বলেন, আমাদের এই পোশাক কারখানায় হেলপারদের বেতন ৮ হাজার থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা মাত্র। অন্যান্য পোশাক কারখানায় তাদের বেতন অনেক বেশি। অন্যান্য পোশাক কারখানায় হাজিরা বোনাস ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হলেও আমাদের কারখানাতে দেওয়া হয় মাত্র ৫০০ টাকা। আমরা ন্যূনতম ন্যায্যমজুরি ও ভাতার দাবিতে রাস্তায় নেমেছি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, শ্রমিকরা তিনটি প্রধান দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। তার মধ্যে প্রধান দাবি ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com