1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: কাভার্ডভ্যানে আগুন মিরপুরে হামলা-সংঘর্ষের মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার, গ্রেপ্তার ৪৮ ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য মেলার অবশিষ্ট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৬৭০ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের গার্মেন্টস ‍শিল্পে ভাঙচুর-সহিংসতায় বিদেশি ক্রেতারা অন্য দেশে চলে যাচ্ছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন বিএনপির এলিজা জামান সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাণিজ্য মেলার অবশিষ্ট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক: গবেষণার মাঠ উদ্ধারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে থাকা অবশিষ্ট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে ট্রাক্টর দিয়ে মাঠটি চাষ করেন তারা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা চত্বরে সমবেত হন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খামারের দুটি ট্রাক্টর নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে যান তারা। পরে মেলার অবশিষ্ট স্থাপনাগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে মাঠ চাষ করেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে মাঠটিতে সচিবালয় স্থাপনের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এই মাঠ শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ নয়, বরং রাজধানীর এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সবুজ এলাকা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রাফিউর রহমান রুহান বলেন, ‘ঐতিহাসিক এই গবেষণার মাঠে সচিবালয় স্থাপন করা হলে এই এলাকার জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে। মাঠটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এখানে সবুজায়ন বজায় রাখাই এই অঞ্চলকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়।’

মেলার আয়োজক কমিটির দীর্ঘসূত্রিতা ও গাফিলতিকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, সরকারি সিদ্ধান্তে মেলা স্থগিত হওয়ার পর আয়োজক কমিটি এক দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। উল্টো বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করে কালক্ষেপণ ও সমঝোতার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মেলার একটি স্টলের কর্মচারী রিফাত রহমান বলেন, ‘মেলা বন্ধের ঘোষণা আসার পর আমরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে চলে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মেলা কমিটি আমাদের বাধা দেওয়ায় আমরা চলে যেতে পারিনি।’

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরফান আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছি।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com