1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সম্রাটের স্ত্রী ও ভাইকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

ঢাকা: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী ও তার ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী ও ভাই ফরিদ আহমেদ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম এ জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এ বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, সম্রাটের আরও অবৈধ সম্পদ আছে কি না, তা খোঁজা হচ্ছে। সম্রাটকে যারা দুর্নীতি করতে সহায়তা করছে তাদেরও খোঁজা হবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার অভিযোগে অসৎ উদ্দেশে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজ নামে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কথা বলা হয়েছে। এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের (সম্রাটের স্ত্রী ও ভাই) জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো।

ঠিকাদার জিকে শামীমসহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রভাবশালীদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্যাসিনো ব্যবসা ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রায় ২০০ জনের তালিকা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়।

শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ২১টি মামলা দায়ের করেছে দুদক।  যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তারা হলেন- ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার মা, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূইয়া, অনলাইন ক্যাসিনোর হোতা সেলিম প্রধান, বিসিবি পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়া, কলাবাগান ক্লাবে সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, তারেকুজ্জামান রাজীব, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, এনামুল হক আরমান, যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা,কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ, যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী সুমি রহমান, ব্যবসায়ী মো. সাহেদুল হক, এনআর গ্লোবালের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার হালদার, গণপূর্তের সিনিয়র সহকারী প্রধান মো. মুমিতুর রহমান ও তার স্ত্রী জেসমীন পারভীন।

কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছেন। অপর সদস্যরা হলেন- উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সালাহউদ্দিন, গুলশান আনোয়ার প্রধান, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, আতাউর রহমান ও মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com