1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন শেরপুরে রাইস কুকারে রান্নার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু

কুয়াকাটায় পর্যটন শিল্পে ধ্বস: শত কোটি টাকার ক্ষতি

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে কুয়াকাটা পর্যটন। এর প্রেক্ষিতে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় পর্যটক শূন্যতায় চলছে সুনশান নিরবতা। পর্যটন নির্ভর কুয়াকাটার বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে শত কোটি টাকার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হোটেল-মোটেল, রেস্ট হাউস ও গেস্ট হাউস থেকে শুরু করে খাবার হোটেল, রেঁস্তোরা, চা দোকান, ফুচকা বিক্রেতা, ঝিনুকের দোকান, শুটকি পল্লী এবং ফ্রাই পল্লীসহ পর্যটন নির্ভর সকল দোকানে ঝুলছে তালা। সৈকতজুড়ে ফটোগ্রাফারদের দেখা নেই। ট্যুরিস্ট বোট, স্পিড বোট ও ওয়াটার বাইকগুলো পড়ে আছে সমুদ্রের বালিয়াড়িতে। ছাতা-বেঞ্চগুলো যেখানে-সেখানে স্তুপ করে রাখা হয়েছে।
কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, প্রতিবছর ঈদ পরবর্তী সময় লাখো পর্যটকের আগমন ঘটে। আমাদের ব্যস্ততাও যায় বেড়ে। বেচা-বিক্রির ধুম পড়ে। দম ফালানোর ফুসরত থাকে না। সৈকতজুড়ে পর্যটকদের হৈ-হুল্লোরে মূখর থাকে। এবারে পর্যটকের আগমনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গোটা সৈকত পর্যটক শূন্য। স্থানীয় কিছু পর্যটকের আনাগোনা থাকলেও ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয় পুলিশের বাধার মুখে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছে।
ব্যবসায়িরা আরও জানান, লকডাউনের কারনে হোটেল-মোটেলগুলো বন্ধ থাকায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এ পেশার সাথে যুক্ত প্রায় ৫ হাজারের বেশি মানুষের জীবন-জীবিকা। বিকল্প কর্মসংস্থানও খুঁজে পাচ্ছে না তারা। গত ১লা এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সকল ব্যবসা-বাণিজ্য। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম অর্থ সংকটে ভোগছে পর্যটন নির্ভর সকল পেশাজীবী। প্রতিবছর ঈদের সময় লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থানগুলো। এবারে চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো।
কুয়াকাটার আভিজাত আবাসিক হোটেল খাঁন প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রাসেল খাঁন জানান, প্রতিবার ঈদে আমাদের হোটেলটি শতভাগ রিজার্ভ থাকে, সেখানে গত দুই মাস ধরে হোটেলটি পুরো বন্ধ রয়েছে। ঈদ মৌসুমে কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, প্রথম লকডাউনের ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই দ্বিতীয় ঢেউয়ে আবার ক্ষতির মুখে গোটা পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীরা। প্রতিবার ঈদের মৌসুমে লাভের মুখে থাকলেও এবারে যে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছি, তা কবে কাটিয়ে উঠতে পারবো জানি না। এবারে শুধু মাত্র ঈদ মৌসুমেই শত কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এসময় তারা পর্যটনের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com