1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মেয়র থেকে শাহাদাত এবার চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক কোনো অনুদান নয়, জলবায়ু তহবিলে প্রাপ্য অধিকার চান চিফ হুইপ ই-টিন আছে, রিটার্ন জমা না দেওয়ায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা: যা বলছে এনবিআর ও আয়কর আইন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন তারেক রহমান ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা–দাম্মাম ও রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে: কর্নেল অলি বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: জামায়াতের আমির টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট উদ্ধার করা ১ লাখ পিস ইয়াবা ‘গায়েব করে দিলেন’ তিনি!

‘ইয়াবার জন‌্য বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার’

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

কক্সবাজারে : ইয়াবার জন‌্য মিয়ানমারে প্রতি বছর ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক।

সোমবার সন্ধ্যায় টেকনাফ সরকারি কলেজ মাঠে কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব‌্যে তিনি এ তথ‌্য জানান।

খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মিয়ানমার ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দিয়েছে। আর সেই মিয়ানমার থেকে এ দেশের কারবারিরা ইয়াবা এনে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার করছে। এটি নিজেদের পায়ে কুড়াল মারার মতো। মাদক, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। সেটি বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এই আত্মসমর্পণ তারই অংশ।

ডিআইজি আরো বলেন, ৯০ এর দশকের শেষদিকে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। জিরো টলারেন্স নীতির কারণে জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা পেয়েছি। ইয়াবাও বন্ধ হবে, ইনশাআল্লাহ। দোষ স্বীকার করে যারা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের সাধুবাদ জানাই। আর যারা এখনো বাইরে রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশের কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার ঠিকানা হবে কারাগার। একইভাবে নিরীহ কাউকে মাদক কারবারি সাজানোর চেষ্টা করলে কর্মকর্তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও কঠোর।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি তোফায়েল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ বাহাদুর, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস, টেকনাফ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা ও মাওলানা মুফতি কিফায়েত উল্লাহসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ২১ জন ইয়াবা কারবারি ও হুন্ডি ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করেন। তারা পুলিশের কাছে ১০টি অস্ত্র ও ২১ হাজার ইয়াবা জমা দেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com