1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি নকলায় মাদকসেবীর জেল ও চার ফার্মেসির জরিমানা সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন জমি বিরোধে আইনুল হক হত্যা: শ্রীবরদী থেকে প্রধান আসামি মুরাদ গ্রেপ্তার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমাতে লবণাক্ত পানি শোধনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঘরে ফেরার আকুতি: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট সময় চায় লাখো রোহিঙ্গা ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

শেরপুরে তিন বছরেও শেষ হয়নি আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ: অর্থ লোপাটের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১

মনিরুল ইসলাম মনির : ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-শেরপুর-বনগাঁও আঞ্চলিক মহাসড়ক পুন:নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এসইপিএল প্রাইভেট লিমিটেড, ওটিবিএল ও মেসার্স তূর্ণা এন্টারপ্রাইজ নামের তিনটি যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি লোপাট করে লাপাত্তা হয়েছে। তৎকালীন শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগসাজশ করে কাজের তুলনায় অধিক টাকা উত্তোলন করে চলে যাওয়ায় প্রায় তিন বছর যাবত বন্ধ রয়েছে মহাসড়কটির উন্নয়ন কাজ। ফলে জনদূর্ভোগ চরমে পৌছেছে।

শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, কোরিয়ান কোম্পানীর মাধ্যমে ১৯৯১-৯২ সালে নির্মিত জামালপুর-শেরপুর বনগাঁও আঞ্চলিক মহাসড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় গত কয়েক বছর যাবত জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ৩২.৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটির ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পুন:নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে। মেসার্স এসইপিএল প্রাইভেট লিমিটেড, ওটিবিএল ও মেসার্স তূর্ণা এন্টারপ্রাইজ নামের তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে নির্মাণকাজ শুরু করে।

সূত্রমতে, সড়কটির দুই পাশে এক মিটার করে ২ মিটার সম্প্রাসরণ কাজে দেড় ফুট বালু ও সাব-বেস ৮ইঞ্চি সাববেস, ৬ ইঞ্চি সাববেস-২ ধরা থাকলেও তা করা হয়নি। পুরনো সড়কের মেগাডম, কার্পেটিং ও বিটুমিন সম্পূর্ণ উঠিয়ে সেখানে পাথর দিয়ে ৮ইঞ্চি (২০০ মিলি মিটার) ডব্লিওবিএম করে তার উপর আড়াই ইঞ্চি (৬০ মিলি মটিার) কার্পেটিং এবং ১ ইঞ্চি (২৫ মিলি মিটার) বিটুমিন দিয়ে ফিনিসিং দেয়ার কথা থাকলেও করা হয়নি। বরং পূরনো সড়কের উপরের আড়াই ইঞ্চি (৬০ মিলি মিটার) কার্পেটিং এবং ১ ইঞ্চি (২৫ মিলি মিটার) বিটুমিন উঠিয়ে পুরনো পাথর আর কিছু নতুন পাথর দিয়ে সড়কটির প্রায় ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা লোপাট হয়। ফলে বছর না ঘুরতেই নতুন নির্মিত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানখন্দক হতে থাকে।

একপর্যায়ে বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়লে স্থানীয় সাংসদ ও হুইপ আতিউর রহমান আতিক সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে সড়কটি তদন্তের সুপারিশ করেন। গেল বছরের জুলাইয়ে একাধিক তদন্ত টিম তাদের তদন্তে অনিয়মের সত্যতা পান। ফলে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহাম্মদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী মাজাহারুল ইসলাম আজাদকে শেরপুর থেকে তাৎক্ষণিক বদলী করা হয়। সড়কের ৭০ ভাগ কাজ শেষ না হলেও যাওয়ার আগে তারা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে ৯০ কোটি টাকার বিল প্রদান করেন।

এদিকে নিম্নমানের কাজ করায় ঠিকাদারকে দেয়া এ কার্যাদশে বাতিল করা হলেও এখন পর্যন্ত কালো তালিকাভূক্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ওই সময় কর্মরত ও অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও।

এসব বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে কাজটি সঠিকভাবে হয়েছে বলে দাবী করেন শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের তৎকালীণ নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে ফরিদপুরে কর্মরত) আহসান উদ্দিন আহাম্মেদ।

শেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মো: শরিফুল ইসলাম জানান, আমরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল করেছি। তার বিরুদ্ধে এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com