1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

ডঃ জোহার আত্মত্যাগ অধিকার আদায়ে অনুপ্রেরনা যোগায় : মোস্তফা

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

বাংলার কাগজ ডেস্ক : ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা ও তার আত্মত্যাগ অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অনুপ্রেরনা যোগায় বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে শহীদ প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।

তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন। সেদিন ড. শামসুজ্জোহা নিজের জীবনের বিনিময়ে বাঁচিয়ে ছিলেন হাজারো শিক্ষার্থীর জীবন।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শহীদ ড. শামসুজ্জোহা স্মরণে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’ আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ড. শামসুজ্জোহা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের নিকট একটি অনুপ্রেরনার নাম। ১৯৬৯-এ জোহার আত্মত্যাগ গণ-আন্দোলনকে করেছেন বেগবান। যা পরবর্তীতে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা আনতে সহযোগিতা করেছিল।

তিনি আরো বলেন, আজকের শিশুরা বেড়ে উঠছে স্বাধীন দেশের হাওয়া আর জলে, এই শিশু কোনো দিন জানতেও পারবে না কেমন উত্তাল ছিল ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলন। জোহা দিবসকে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করলে এই ইতিহাসটি বছরের পর বছর নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, সমগ্র জাতির প্রশ্ন হচ্ছে, ড. জোহার এ মহান অবদানের কতটুকু স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্র ? প্রতি বছর এ দিনটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালন করা হলেও এখন পর্যন্ত দিবসটিকে সরকারিভাবে পালন করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রের কিছু করার অবকাশ রয়েছে বলে মনে করি আমরা।

তিনি বলেন, ড. জোহাকে বাঙালি জাতির মণিকোঠায় ঠাঁই দিতে পারলে লাভ হবে আমাদের জাতিরই। কারণ এতে অনুপ্রেরনা পাবেন বুদ্ধিজীবী সমাজসহ দেশের জনগণ। পাশাপাশি যে কোনো স্বৈরাচারী শক্তি, অপশক্তি ও অকল্যাণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা পাবেন দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ, বুদ্ধিজীবীসহ সবাই।

সংগঠনের সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবি ডাবলু, প্রজন্মের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা সাহেদুর রহমান, সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়কারী গোলাম মোস্তাকিম ভুইয়া, স্বরজিৎ কুমার দ্বিপ, আবুল হোসেন, সীমা আক্তার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com