1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
‘ধর্মীয় কারণ নয়’, নদীভাঙন ঠেকাতে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি ‘তৌহিদী জনতার’ চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলে তালিকা করে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেরপুরে সাপের দংশনে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, চিকিৎসকের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪ মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্ণামেন্ট ফাইনাল মাতালেন কেয়া পায়েল-অমিত হাসান শেরপুরে ফুটবল ফাইনালে অমিত হাসান-কেয়া পায়েল, মাঠে দর্শকের ঢল জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী স্টার্কের ৬ উইকেটের জবাবে শরীফুলের ৬, রোমাঞ্চকর দিনে ১০১ রানে এগিয়ে অজিরা ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

কুয়াকাটা সৈকত থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে চায়না কোম্পাণী ‘সিকো’

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কুয়াকাটা সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বেলাভূমি সমুদ্র-সৈকতকে রক্ষায় একদিকে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে অন্যদিকে বেড়িবাঁধ মেরামতের নামে অবৈধভাবে সমুদ্রের বালু নিয়ে অন্যাত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। সমুদ্রের কোলঘেঁষে অবস্থিত স্থানীয় মানুষজন নিজেদের প্রয়োজনে এক ভ্যান বালু নিয়ে ব্যবহার করতে পারছেন না। সেখানে জেলা প্রশাসন কিংবা স্থাণীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই চায়না সিকো কোম্পানী হাজার হাজার সিএফটি বালু ট্রাক ভরে নিয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে এমন অবৈধ কর্মকান্ড।
কোম্পাণীর স্থানীয় প্রতিনিধি মিঃ জ্যাং এর মুখপাত্র ইমন ইসলাম জানান, তাদের এ বালু নেয়ার অনুমতি দিয়েছে প্রকল্পের বাপাউবো প্রকৌশলী। তবে বাপাউবো প্রকল্পের ৪৮ নং পোল্ডারের দায়িত্বরত প্রকৌশলী বালু নেয়ার কোনো অনুমতি কাউকে দেয়া হয়নি বলে অস্বীকার করেন।
সূত্র জানায়, উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প, ফেজ-১ (সিইআইপি-১)র আওতায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত লাগোয়া ঝুকিঁপুর্ণ ৪৮ নং পোল্ডারের সংস্কার কাজ চলছে। এই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না কোম্পানী ‘সিকো’। এ কোম্পানীর দায়িত্বরত প্রজেক্ট ইনচার্জ মিঃ জ্যাং কাজের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম কানুনই মানছেন না। যেমন খুশি তেমন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কাজের মান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
বিদেশী ওই কোম্পানীর স্থানীয় প্রতিনিধিদের সহায়তায় বেড়িবাঁধের কোলঘেঁষে অবস্থিত হোটেল সাগর কন্যা, বেঙ্গল গেস্ট হাউজ ও সিভিউ হোটেলের সম্মুখ ভাগ থেকে সমুদ্রের বালু রাতে দিনে ট্রাক ভরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। প্রায় বিশ থেকে পচিশটি ট্রাকে করে গত এক সপ্তাহ ধরে এ বালু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে লতাচাপলী ইউনিয়নের আমখোলাপাড়া এলাকায়। এর আগেও এ কোম্পানীটি সমুদ্র সৈকত থেকে বালু নিয়ে অন্যত্র কাজে লাগিয়েছে। পরে উপজেলা প্রশাসণের বাধার মুখে তখন বালু নেয়া বন্ধ হয়ে যায়। কিছুদিন বন্ধ থাকলেও এখন আবার নেয়া হচ্ছে সমুদ্রের বালু।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মুজিবুল হক ওরফে মধু ও সাউথ বীচ হোটেলের কেয়ার টেকার আনোয়ারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, গত কয়েকদিন যাবত রাতে ও দিনে ২০/২৫টি ট্রাকে করে স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে বালু কেটে নেয়া হচ্ছে। ১০ চাকার এসব ট্রাকের প্রতিটিতে ৬শ থেকে ৭’শ ফুট বালু ধারণ ক্ষমতার ভারী যানের শব্দে রাতে পর্যটকসহ স্থানীয়রা ঘুমাতে পারেন না।
চায়না সিকো কোম্পানীর স্থানীয় প্রজেক্ট ইনচার্জ মিং জ্যাং এর মুখপাত্র দো-ভাষী মো. ইমন ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বেড়িবাঁধের স্লোপের নিচের বালু নেয়ার অনুমতি রয়েছে তাদের। অনুমতিপত্র আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাপাউবো প্রজেক্ট প্রকৌশলী অনুমতি ক্রমেই বালু অন্যত্র নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প, ফেজ-১ (সিইআইপি-১) ৪৮ এবং ৪৭/২ পোল্ডারের দায়িত্বরত প্রকল্প প্রকৌশলী মো. মজিবর রহমান (সিএসই) বলেন, বেড়িবাঁধের কোলঘেঁষে থাকা সমুদ্রের বালু নেয়ার বিষয় তিনি জানেন না। এ বালু নেয়ার অনুমতি তিনি বা তার অফিস কাউকে দেননি। চায়না প্রজেক্টের ইনর্চাজের মুখপাত্র মিথ্যা বলেছেন বলে তিনি জানান। তিনি মোবাইল ফোনে বালু নিতে নিষেধ করে দিবেন বলে জানান।
– রাসেল কবির মুরাদ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com