1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেরপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা সরকার মেনে নেবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই: শাহে আলম ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নেন জামায়াতকর্মী, পরে জানলেন ‘বিয়ে হয়ে গেছে’ কোরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি নালিতাবাড়ীতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত বিক্ষোভে উত্তপ্ত দিল্লি, রাস্তায় নামছে ২৩ হাজার সশস্ত্র পুলিশ কুড়িগ্রামে সব সড়কে সিএনজি চালুর দাবিতে চালকদের সড়ক অবরোধ

কলাপাড়ায় চার হাজার ভুয়া কার্ডধারী: ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণে অনিয়ম

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় ১০টাকা কেজি দরের ফেয়ারপ্রাইস কার্ডের অন্তত চার হাজার দরিদ্র ব্যক্তির চাল কালোবাজারে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট ডিলাররা মার্চ মাসের চাল উত্তোলন করে এ পরিমাণ চাল বিক্রি করে দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তারা এ কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ডিলার এবং তদারকি কর্মকর্তাদের এমন আচরণে বিতর্কিত হচ্ছে সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি।
জানা গেছে, কলাপাড়ার ১২টি ইউনিয়নে সুবিধাভোগীর মধ্যে রয়েছে ২০ হাজার ১৫৩ জন কার্ডধারী। যারা বছরের মার্চ-এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নবেম্বর মাসে জনপ্রতি ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু চলতি বছরের পাঁচ মাসে অন্তত তিন সহ¯্রাধিক কার্ডধারীর প্রায় ৬০ টন চাল কালোবাজারে বিক্রি করে দেয়। কার্ডধারী তিন সহ¯্রাধিক মানুষ জানেন না তাদের নামে এ চালের বরাদ্দ রয়েছে। তালিকায় নাম রয়েছে এমন হাজারো মানুষকে তাদের কার্ড হাতে দেয়া হয়নি ৩২ ডিলার। বছরের পর বছর এভাবে শতশত টন চাল কালোবাজারে বিক্রি করেছে ডিলাররা।
এছাড়াও তালিকায় রয়েছে বিত্তবান, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি, এমনকি সামাজিক সুবিধা পাওয়া ব্যক্তির নামও রয়েছে এ তালিকায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, লালুয়ায় ফেয়ার প্রাইস কার্ডের সুবিধাভোগীর নাম রয়েছে ১ হাজার ৫৯৬ পরিবার। দরিদ্র মানুষ এ সুবিধা পাওয়ার নিয়ম থাকলেও তালিকা তৈরিতে করা হয়েছে চরম অনিয়ম। লালুয়ার পশুরবুনিয়া গ্রামের জেলে সেলিম ফরাজীর তালিকায় নাম থাকলেও তাকে কোন কার্ড অদ্যাবধি দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেনও না। অথচ মাসের পর মাস তার নামে চাল উত্তোলন দেখিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। ডিলারের দোকানে কার্ডধারীর নামের তালিকা ঝুলিয়ে রাখতে হবে প্রশাসনের এমন নির্দেশনার পরও কোন ডিলারের দোকানে এটি দৃশ্যমান পাওয়া যায়নি।
ইউপি সদস্য ইউনুচ ফরাজি জানান, তার ওয়ার্ডের অন্তত ৪০ জনের নাম তালিকায় থাকলেও ওইসব ব্যক্তি কোনদিন চাল তোলেননি এবং এর কিছুই জানেন না। এভাবে লালুয়ার একটি ওয়ার্ডে কার্ড দেয়া হয়নি এমন নাম রয়েছে অন্তত ৩০০ জন। বছরের পাঁচ মাস এ চাল উত্তোলন দেখিয়ে বিক্রি করা হয়েছে।
অপরদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারার মাখন লাল বিশ^াসের নাম রয়েছে তালিকায়। অথচ এ দরিদ্র মানুষটিকে মার্চ মাসের চাল দেয়া হয়নি। তার কার্ডটি পর্যন্ত নেই। কবে চাল পেয়েছেন তার মনে নেই। নীলগঞ্জের ২ হাজার ৭৬৭ জনের সকলের বিতরণের মার্চ মাসের চাল তিন জন ডিলার তুলে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। একই দশা মিঠাগঞ্জের ৬৫০ নম্বর তালিকার ব্যক্তির।
মিঠাগঞ্জ, নীলগঞ্জ, চাকামইয়া, টিয়াখালী, ধুলাসার, বালিয়াতলী, চম্পাপুর, ধানখালী, মহিপুর, লতাচাপলীসহ সকল ইউনিয়নের একই অবস্থা।
কলাপাড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বিএম শফিকুল ইসলাম জানান, অনিয়ম পেলে সঙ্গে সঙ্গে তালিকা সংশোধন করা হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বর্তমানে আবার নতুন করে তালিকা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
– রাসেল কবির মুরাদ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com