1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন চার মুখ, রাতে শপথ মাদকবিরোধী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মাদকসহ দুই মাদক কারবারিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি নালিতাবাড়ীতে কৃষক-কৃষাণীর মাঝে কাঁঠালের চারা বিতরণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ নকলায় মাছ ধরতে গিয়ে স্রোতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার ভুয়া খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন শেরপুরে করাতকলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

প্রস্তুতি শেষ, মাঠে নামার অপেক্ষা আ.লীগে

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৩

রাজনীতি ডেস্ক: রাজপথ আয়ত্ত্বে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোনো ধরনের অপতৎপরতার সুযোগ না দিতে ব্যাপক প্রস্তুতির পর এখন মাঠে নামার অপেক্ষা করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

মূলত নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের এই সমাবেশে মাঠে থাকার বড় ধরনের বার্তা দিতে চায় দলটি। সেই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের অব্যাহত আন্দোলনের বিরুদ্ধে দলের শক্তিশালী অবস্থানও জানান দিতে মরিয়া আওয়ামী লীগ।

যেমনটি বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, স্মরণকালের সবচেয়ে বড় গণজমায়েত হবে আওয়ামী লীগের এই শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ। কাদের জানান, শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সংষ্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর শুরু হবে। বেলা আড়াইটার দিকে বক্তব্য পর্ব শুরু হবে।

সমাবেশ সফল করতে গত দু’দিন নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক, মিটিং, মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে প্রস্তুস্তি আছে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বা অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার। এক্ষেত্রে বিএনপি-জামায়াতকে কোনো ছাড় দেবে না ক্ষমতাসীনরা। ওয়ার্ড, থানা এবং মহানগর পর্যায়ে মূল দল ছাড়াও সহযোগী সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীলদের সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের সমাবেশ থেকে দুরভিসন্ধিমূলক কোনো কিছু এলে তাৎক্ষণিক তা মোকাবিলার নির্দেশ আছে।

সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে নিয়ে বিএনপির দুরভিসন্ধিমলক ষড়যন্ত্র আছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের নেতাকর্মীদের সেভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকের পরাজিত করতে পারবে না জেনে তারা ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

‘বিএনপি বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য পরিণত করতে চায়। তাদের রাজনীতি হলো যেকোনো উপায় ক্ষমতা দখল করা। বর্তমানে সেটাই তার প্র্যাকটিস করছে। জনগণের ওপর দুঃশাসন চাপিয়ে দিয়ে নিজের দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের আখের গোছাতে চায়,’ বলেন তিনি।

এদিকে অনুমতি পাওয়ার পর শুক্রবার রাত থেকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করে আওয়ামী লীগ। সমাবেশের আগে দিন সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত অবধি নেতাকর্মীদের পদচারনায় মুখরিত ছিলো ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় অন্তত ১৫ থেকে ২০টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীদের জড়ো হতে দেখা যায়। সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে মিছিল সহকারে আসেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন। এ সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগের নেতারা মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন।

কামরুল হাসান রিপন বলেন, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে শনিবার। স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা-৫ আসন থেকে লাখো নেতাকর্মী যোগ দেবে সমাবেশে।

এদিকে বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের উদ্যোগে ‘শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রায় হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের যে অপশক্তি, সেই অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার জন্য অতীতের মতো শান্তি সমাবেশে এবং রাজপথে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিয়ে যুবলীগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, শুধু এই সমাবেশ নয়, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আমাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে রাজপথে ও নির্বাচনী মাঠে থাকতে হবে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বুকে নিয়ে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি নেতা-কর্মীরা রাজপথে থাকবে। কোন অনির্বাচিত-অসাংবিধানিক সরকার যেন ক্ষমতায় না বসতে পারে সে দিকে আমাদের প্রতিটি নেতা-কর্মীরা সজাগ ও সোচ্চার থাকবে।

দলীয় সূত্র বলছে, ২৮ অক্টোবর রাজধানী ঢাকা পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ। এদিন বিএনপির নেতাকর্মীরা যেন কোনোভাবেই ঢাকা দখল করতে না পারে। সেজন্য ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে আলাদা দৃষ্টি রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূলত বিএনপি বড় ধরনের অঘটন ঘটাতে পারে এমন শঙ্কা থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্ষমতাসীনরা। তবে অকারণে বিএনপির সঙ্গে বিশৃঙ্খলায় না জড়ানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ড থেকে। কর্মসূচি ঘিরে যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে-তাহলে পাল্টা জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

সমাবেশের আগের দিন বিকেলে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ করার পাশপাশি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার সেই নির্দেশনাও দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আমরা শান্তি চাই, নির্বাচনের আগেও শান্তি চাই, পরেও শান্তি চাই। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে আমরা দেখিয়ে দেবো, অশান্তির জবাব শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে। তাদের দূরভিসন্ধি আছে, সাম্প্রদায়িক আরও দু-একটা শক্তি নিয়ে তারা অশুভ খেলায় মেতে উঠতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা মরতে হলেও মরবো তবুও মাঠ ছাড়বো না। এটা বাংলাদেশের আরেক মুক্তিযুদ্ধ। এটাতে জিততে পারবো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেঁচে থাকতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে দেবো না, এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। বাংলাদেশ নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবো না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com