1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে অবৈধ ১৩টি চায়না দুয়ারি রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে মেজাজ গরমের পর আমার কোনো গ‍্যারান্টি নাই: পরীমণি রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেই এমপি-মন্ত্রী পদ শূন্য হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও বিরোধীদলীয় নেতা নালিতাবাড়ীতে একুশে পাঠচক্রের ১৪৭তম আসর অনুষ্ঠিত চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, অন্য ৭ জনের যাবজ্জীবন ড.ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

ফেনীতে বাজার খালি করে দাম বাড়াচ্ছে সিন্ডিকেট

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

ফেনী: ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ার সাথে সাথেই পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দাম বেড়ে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আড়তদারদের কারসাজিতে জিম্মি হয়ে পড়েছে ফেনীর পেঁয়াজের বাজার। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, ফেনীর আড়তে পেঁয়াজ নেই এটা অবিশ্বাসযোগ্য, পাইকাররা বলছেন পেঁয়াজের সাপ্লাই বন্ধ। ফলে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। সাধারণ মানুষ বলছেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

রোববার (১০ নভেম্বর) ফেনী বড় বাজার ঘুরে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেনী বড় বাজারে খুচরা পর্যায়ে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারি আড়ৎ থেকে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে ১০ থেকে ২০ কেজি করে কিনে বিক্রি করছেন তারা।

অন্যদিকে পাইকারি আড়তদারদের দাবি, ফেনীর বাজারে কোনো পেঁয়াজ আসেনি। তবে বেশিরভাগ খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বড় বড় আড়ৎগুলো সিন্ডিকেট করে ইচ্ছাকৃতভাবে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ রেখেছেন যাতে বাজারে সংকট তৈরি হলে বেশি দামে বিক্রি করতে পারে।

বাজার ঘুরে জানা যায়, একদিন আগেও বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এছাড়াও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০ টাকা। তবে শুক্রবার সন্ধ্যার পর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা কেজি দরে।

ফেনী বড় বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী রমনী সাহা স্টোরের মালিক মিন্টু সাহা বলেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা নিরুপায়৷ ভারত পেঁয়াজ বন্ধ করলেও দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত আছে, তা দিয়ে এক মাস চলা সম্ভব। কিন্তু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারণে খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা সমস্যায় পড়ছেন।

তিনি বলেন, ক্রেতারা দাম বাড়বে শুনলে আরও বেশি কিনে। এ সুযোগ নিয়ে বড় ব্যবসায়ীরা দাম আরও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু আড়ৎগুলো সাপ্লাই বন্ধ রাখাতে খুচরা ব্যবসায়ীদের ১ থেকে ২ বস্তা নিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মডার্ণ ট্রেডার্স এর ফখরুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমাদের ১০ থেকে ২০ কেজি কিনে বিক্রি করতে হচ্ছে। আড়তদাররা মেমো দিচ্ছে না। বড় বড় আড়ৎগুলো বলছে তাদের কাছে পেঁয়াজ নেই আমরা খুচরা ব্যবসায়ীরা নিরুপায়। আমাদের প্রতিদিন ২০ বস্তা লাগলেও আজ ২০ কেজি কিনে বিক্রি করছি। অনেক ক্রেতা দাম শুনে চলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি গতকাল বিক্রি করেছি ৯৮ থেকে ১০০ টাকা। আজ ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। সিন্ডিকেট করে বড় ব্যবসায়ীরা এক সপ্তাহে ক্রেতার পকেট থেকে সব টাকা নিয়ে যাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক খুচরা বিক্রেতা বলেন, ফেনী বড় বাজারে পেঁয়াজ নেই এটা কেউ বিশ্বাস করবে না। আরও ৩০ দিন চলার মতো পেঁয়াজ দেশে আছে কিন্তু কেউ বিক্রি করছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড় বাজারের একজন কমিশন এজেন্ট বলেন, প্রতিদিন ফেনীতে ১০০ টন পেঁয়াজ আসে। বুধবার থেকে কোনো গাড়ি ফেনীতে আসছে না। প্রতিদিনের পেঁয়াজ প্রতিদিন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। কোনো মজুত নেই।

ফেনীর বড় আড়তদার মেসার্স হরিপদ স্টোরের সত্ত্বাধিকারী হরিপদ সাহা বলেন, ফেনীতে দৈনিক ১০০ টন পেঁয়াজ আসে। কিন্তু গতকাল কোনো পেঁয়াজ আসেনি। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলেন একদিন চলার মতো পেঁয়াজ দেশে নেই। যার ফলে আজকে সাপ্লাই বন্ধ, বাজারে সংকট তৈরি হওয়ায় দাম বেশি।  ব্যবসায়ীদের কোনো সিন্ডিকেট নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com