1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আদমজী ইপিজেডে ভূত আতঙ্ক, একদিনের ছুটি ঘোষণা টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে বাংলাদেশ পাউরুটি কিনতে গিয়ে আপন ২ বোনকে ধর্ষণচেষ্টা, দোকানি পলাতক ছাদে মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা আজ বঙ্গভবনে যাবেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হবে গার্ড অব অনার ওড়িশা উপকূলে বাংলাদেশিসহ ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো জাহাজ

রাকিব কম্পিউটার থেকে জাল করা হয় মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর

  • আপডেট টাইম :: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : গোপাল চন্দ্র সরকারের স্বাক্ষর জাল করার আগে রাকিব কম্পিউটার থেকে জাল করা হয় সাবেক কৃষিমন্ত্রী, বর্তমান কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর। তবে বিষয়টি গোপনীয় থাকায় ওই সময় জালিয়াতির ঘটনায় পার পেয়ে যায় রাকিব কম্পিউটার কর্তৃপক্ষ।
সূত্র জানায়, গেল ২০১৯ সালের প্রথমদিকে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নস্থ সূর্যনগর গাগলাজানি দাখিল মাদরাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর ওই মাদরাসার এডহক কমিটি গঠন করে এর প্রস্তাবনা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়। প্রস্তাবিত ওই এডহক কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে দেখানো হয় কলসপাড় ইউনিয়ন যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেনকে। তবে প্রস্তাবিত কমিটি মঞ্জুরির সুপারিশে স্থানীয় সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর নালিতাবাড়ী শহরের রাকিব কম্পিউটার থেকে স্ক্যান করে জালিয়াতির মাধ্যমে বসানো হয়। এক পর্যায়ে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি বোর্ড থেকে প্রকাশ হয়ে পড়লে তা মতিয়া চৌধুরী পর্যন্ত গড়ায়।
পরে ৩০ জুন উপজেলা যুবলীগের জরুরী বৈঠক আহবান করে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এনে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেনকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে জালিয়াতির অভিযোগ এনে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম সাদাকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন সহকারী সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম। ওই মামলায় হাজতবাস ছাড়াও পুলিশি রিমান্ডে যান ভারপ্রাপ্ত সুপার রফিকুল ইসলাম। কিন্তু ওই সময় রাকিবুল ইসলাম নিজেকে আত্মরক্ষা করতে ভারপ্রাপ্ত সুপারকে অনুরোধ করে তার নাম প্রকাশ না করতে। ফলে স্বাক্ষর জাল করে বোর্ডে পাঠানো প্রতিষ্ঠান রাকিব কম্পিউটার মামলা থেকে বেঁচে যায়। তথ্য রয়েছে, পুলিশি রিমান্ডে থাকাবস্থায় নিজেকে রক্ষা করতে রাকিবুল ইসলাম রাকিব নানাভাবে তদ্বির করে।
তবে ওই সময় রাকিব কম্পিউটার কর্তৃপক্ষকে মামলায় না জড়ানোর ফলে প্রতিষ্ঠানটির জালিয়াতি কর্মকাণ্ড বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে কিছুদিন আগে বনকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গোপাল চন্দ্র সরকারের স্বাক্ষরও একই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জাল করে বোর্ডে পাঠানো হয়। বর্তমানে এ জালিয়াতির ঘটনায় প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত হলেও বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের তদন্তাধীন রয়েছে।

তবে রাকিব কম্পিউটার কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করে জানায়, এর কোন প্রমাণ নেই।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com