1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আদমজী ইপিজেডে ভূত আতঙ্ক, একদিনের ছুটি ঘোষণা টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে বাংলাদেশ পাউরুটি কিনতে গিয়ে আপন ২ বোনকে ধর্ষণচেষ্টা, দোকানি পলাতক ছাদে মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল বাংলাদেশ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার খালেদা জিয়ার সাজে অভিনেত্রী চমক, যা বলছেন নেটিজেনরা আজ বঙ্গভবনে যাবেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হবে গার্ড অব অনার ওড়িশা উপকূলে বাংলাদেশিসহ ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো জাহাজ

শেরপুরে ভাষা সংগ্রামীর নামে হাসপাতালের নির্মাণকাজ উদ্বোধন

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

শেরপুর : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ভাষা সংগ্রামী, প্রয়াত অধ্যক্ষ সৈয়দ আব্দুল হান্নান ও তাঁর সদ্য প্রয়াত সহধর্মিনী সালেহা বেগমের নামে হাসপাতাল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের মধ্য শেরীপাড়া মহল্লায় এ হাসপাতাল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন হুইপ আতিউর রহমান আতিক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষা সংগ্রামী সৈয়দ আব্দুল হান্নানের বড় ছেলে প্রকৌশলী আব্দুস সবুর তাপস। অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল, বিএমএ সভাপতি ডাঃ আব্দুল বারেক তোতা, পৌর মেয়র গোলাম কিবরিয়া লিটন, সাবেক প্যানেল মেয়র কাজী মতিউর রহমান মতি প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা শহরের বিশিষ্টজনরা।
আবেগঘন বক্তব্যে অধ্যক্ষ হান্নানের ছেলে তাপস বলেন, আমার প্রয়াত বাবা মৃত্যুর আগে অসহায় মানুষের সেবায় তার ৪৫ শতক জমিতে একটি হাসপাতাল নির্মাণের কথা বলে যান। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সৈয়দ আব্দুল হান্নান-সালেহা বেগম মেমোরিয়াল হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সারাজীবন আমার বাবা শিক্ষার জন্য নিরলস কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত হয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সাক্ষ্য দিয়েছেন। এমন বাবার সন্তান হতে পেরে আমরা গর্ববোধ করি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ আতিউর রহমান আতিক বলেন, অধ্যক্ষ সৈয়দ হান্নান আমার শিক্ষক ছিলেন। তারমত অমায়িক মানুষ আজকাল দেখা যায় না। ভাষা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে তিনি অবদান রেখেছেন। অনেক কষ্ট করে তিনি শেরপুর সরকারী কলেজ দাড় করিয়েছেন। তাঁর মতো শিক্ষক পেয়েছিলাম বলেই আজ আমরা বড় হতে পেরেছি। তাঁর নামে হাসপাতাল উদ্বোধন করতে পেরে আমি গর্বিত।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com