1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিপজলের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মানহানির মামলা দোকানের শাটার তুলতেই টাকার ব্যাগ নিয়ে ভোঁ-দৌড়, চুরির ভিডিও ভাইরাল প্রেসক্লাব ও কিছু চরম সত্য: পর্ব-২ সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী বাজারে ৩৪ টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকলায় জামায়াতের সমর্থিত চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থী ঘোষণা নকলায় ক্যাশলেস লেনদেন জনপ্রিয় করতে ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ইত্যাদির নতুন পর্ব হচ্ছে লক্ষ্মীপুর জেলা নিয়ে মেট্রোরেলের নিচে ছাতায় লুকানো ছিল শক্তিশালী পাইপ বোমা, বোতাম চাপলেই হতো বিস্ফোরণ

দলের বিদ্রোহের মধ্যেই মমতার রুদ্ধদ্বার বৈঠক

  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার কালীঘাটের বাসভবনে সীমিত পরিসরে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আমন্ত্রিত নেতাদের সংখ্যা কম হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায় সাবেক বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেন, স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল, লোকসভার সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবেক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্ধ্র প্রদেশের দুই সাবেক বিধায়ককে।

বৈঠকের আলোচ্য বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলের সাংগঠনিক কর্মকৌশল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

ক্ষমতা হারানোর পর ২ জুন কলকাতায় বড় ধরনের এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজপথে আন্দোলনে ফেরার পর এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ওই সমাবেশে তিনি ‘লড়ব অথবা মরব’ বলে অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি তার ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূল নেতাদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে এবং দলীয় কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনে ‘ভোট লুট’ করার পর বিজেপি তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে ২ জুনের ওই কর্মসূচিতে দলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছিল সীমিত। তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র আটজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন সোভানদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অশোক দেব, অসীমা পাত্র, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ও কুণাল ঘোষ।

এ ছাড়া দোলা সেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, মানেকা গুরস্বামী এবং নাদিমুল হককেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায়।

সমাবেশে বিধায়ক ও সাংসদদের কম উপস্থিতিকে দলের ভেতরের সংকটের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৪ মে বিজেপির কাছে নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এ সংকট এখন পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে সংসদীয় দলেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, দলের ২৩ জন সাংসদ বিদ্রোহী বিধায়ক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংসদীয় দলেও ভাঙন দেখা দিতে পারে।

দলের এই বিভাজনের সূত্রপাত হয়, যখন ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জন দলীয় অবস্থান থেকে সরে গিয়ে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেতা হিসেবে তুলে ধরেন। পরে বিধানসভার স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com