1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::

হজের ব্যয় আরও অন্তত ৪০ হাজার টাকা কমবে: বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

বাংলার কাগজ ডেস্ক : আগামী ২০২৭ সালের হজকে আরও সাশ্রয়ী করতে বিমান ভাড়া ও সৌদি আরবের বিভিন্ন ফি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে একজন হজযাত্রীর ব্যয় অন্তত ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরা ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগামী বছরের জন্য আরও ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার মতে, শুধু বিমান ভাড়া নয়, সৌদি আরবে আরোপিত বিভিন্ন চার্জ কমানো গেলেও হজযাত্রীদের উল্লেখযোগ্য আর্থিক সাশ্রয় হবে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুনাফা কমিয়ে হজ ফ্লাইটের ভাড়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে বিমানবন্দর কর ও ‘গাকা’ চার্জ বাবদ জনপ্রতি প্রায় ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এসব চার্জ কমাতে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে। আগামী সেপ্টেম্বর একটি কারিগরি দল এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমান পরিচালনার প্রশাসনিক ব্যয় এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন চার্জ কমানো সম্ভব হলে শুধু এভিয়েশন খাত থেকেই জনপ্রতি প্রায় ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা সাশ্রয় করা যাবে।

তবে হজ প্যাকেজের মোট ব্যয় আরও কমাতে আবাসন খরচ কমানোর দায়িত্ব হজ এজেন্সিগুলোর ওপরই বর্তায় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে সৌদিতে বাসস্থান ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

হজ এজেন্সিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সরকারও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাবের সদস্য এজেন্সিগুলোর প্রায় ৬২ কোটি টাকা বকেয়া দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা কার্যক্রম পরিচালনায় স্বস্তি পায়। পাশাপাশি ছোট-বড় সব এজেন্সি সমান সুযোগ পায়, সে বিষয়েও নজর রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, হজ ক্যাম্পে খাবারের মূল্য লাভবিহীন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খাবারের মান বজায় রেখে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ‘নুসুক’ কার্ড ও ‘রোড টু মক্কা’ প্রকল্পের মাধ্যমে হজযাত্রীদের ভোগান্তিও অনেকটাই কমানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে দরিদ্র মানুষের জন্য হজ আরও সহজলভ্য করতে যাকাত তহবিল ব্যবহার কিংবা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি দেওয়ার বিষয়েও সরকার চিন্তাভাবনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে হজের ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com