
শেরপুর: শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সাহাব্দীরচর থেকে কামারেরচর বাজার হয়ে পয়েস্তিরচর পর্যন্ত ৪ দশমিক ২২৫ কিলোমিটার কাটাখালী খাল পুনঃখনন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাশে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি গাছ, ১৬০টি রিং কালভার্ট, তিনটি কাঠের সেতু ও তিনটি ইউ-ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫৯৫ জন শ্রমিক প্রকল্পে কাজ করেছেন।
গত ১৩ মে কাজ শুরু হয়ে ৩০ জুন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের খননকাজ শেষ হয়। পরে গত ১৩ আগস্ট অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা বিনতে রফিক বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে কৃষকদের সেচসুবিধা বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের ফলে পরিবেশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, খাল পুনঃখননের সুফল ইতোমধ্যে স্থানীয়রা পেতে শুরু করেছেন। খালে নৌকা চলাচল ও মাছের প্রাপ্যতা বেড়েছে। সরকারি অর্থের অব্যয়িত অংশ ফেরত দেওয়া স্বচ্ছ অর্থ ব্যবস্থাপনার একটি ভালো দৃষ্টান্ত।