1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পায়রা বন্দরে প্রশিক্ষণ প্রকল্পের দরপত্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর প্রশিক্ষণ প্রকল্পের দরপত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পায়রা বন্দর কলাপাডায় “রেনডারিং ট্রেনিং টু দ্যা পিপল এফেক্টেড ডু টু এ্যাকুইসিশন অফ ল্যান্ড এ্যাট কলাপাড়া” প্রকল্পের দরপত্র আহবান করলে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পাথওয়ে ৯ সেপ্টেম্বর আবেদন ফরম ক্রয় করেন এবং জমা দেওযার শেষ দিন ২৯ সেপ্টেম্বর তাদের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম হোসেন ও উত্তম কুমার হাওলাদার নির্ধারিত সময় দুপুর দুইটার আগেই ১.৩০ মিনিটে উপস্থিত হন। তারা জমা দিতে ব্যর্থ হলে পাথওয়ের নির্বাহী পরিচালক মো: শাহিনকে ফোন করেন। তিনি এসে উপস্থিত হলে পায়রা বন্দরের প্রবেশদ্বারে তাকে আটকে দেয়া হয়। পরে মোয়াজ্জেম হোসেন গেটে এসে তাকে ভিতরে নিতে চাইলে তল্লাশীর নামে তার সময় ক্ষেপণ করে। এরপর ভিতরে প্রবেশ করে দরপত্র জমা দিতে চাইলে প্রকল্প কর্মকর্তাগণ তার আবেদনপত্র জমা নেননি।
পরবর্তীতে তিনি প্রকল্পের পিডি মো: আতিকুল ইসলাম এবং পিডি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এর কাছে গিয়ে দরপত্র জমা নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু মো: মনিরুজ্জান তার সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন এবং তাকে বেড়িয়ে যেতে বলেন। এরপর বিষয়টি তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিবুর রহমানকে অবহিত করলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হিসেবে মো: শাহিনের দরপত্রটি জমা নেযার জন্য তাদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রকল্প কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান তার কথাও অগ্রাহ্য করেন।
পাথওয়ে’র নির্বাহী পরিচালক মো: শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, ডরপ নামের একটি এনজিও বর্তমানে পায়রা বন্দরে এ ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং তাতে বেশকিছু অনিয়মের তথ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য মনিরুজ্জামান সাহেব আমার আবেদন জমা নেননি।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হিসেবে বিষয়টি আমি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পুন:দরপত্র আহবানের জন্য আবেদন করেছি। যার অনুলিপি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ স্থানীয় সাংসদ, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি/সম্পাদক এর নিকট জমা দিয়েছি।
এ ব্যাপারে মতামত জানতে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের উক্ত প্রকল্পের পিডি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com