1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রূপপুর আবাসনে ১১ কোটি টাকার অনিয়ম: শিগগিরই তদন্ত শুরু

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

অপরাধ ও দুর্নীতি ডেস্ক : ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন’ প্রকল্পে ১১ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ’ (আইএমইডি)। এই  প্রকল্পের কেনাকাটায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, আইএমইডি তা ক্ষতিয়ে দেখবে আইএমইডি। এরপর প্রতিবেদন দেবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে।

আইএমইডি সূত্র জানায়, সচিবের নির্দেশে ২০১০ সালের ১০ অক্টোবর  প্রকল্পের নিয়মিত মনিটরিংয়ের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের টেন্ডারের রেকর্ডপত্র পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই  প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসন নির্মাণ ডিপোজিটরি ওয়ার্ক বাস্তবায়িত হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে।

সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল পারটেক্স ফার্নিচার। তারা ৪৪ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার টাকার দরপত্র জমা দেয়। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দর ছিল আরএফএল প্লাস্টিক লিমিটেড। তারা ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ও তৃতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হাতিল দর দিয়েছিল ৫৫ কোটি ৯০ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৯ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতা পারটেক্স ফার্নিচারের কাজ পাওয়ার কথা। কিন্তু কাজ দেওয়া হয়েছে হাতিল ফার্নিচারকে। পাবনা গণপূর্ত বিভাগের এই অনিয়মের কারণে সরকারের ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১১ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, সরকারের ১১ কোটি টাকা ক্ষতি হলেও হাতিলের পক্ষেই সাফাই গেয়েছেন টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি।

পারটেক্স ফার্নিচার লিমিটেডের মাধ্যমে দাখিল করা দরপত্রের টেন্ডার শর্ত অনুযায়ী দাখিল করা হয়নি। ফলে দরপত্রটি নন-রেসপন্সিভ হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়ে সব সদস্য একমত পোষণ করেন।

এদিকে, আরএফএল প্লাস্টিক লিমিটেডের দাখিল করা দরপত্র নন-রেসপন্সসিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com