1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি বদলাতে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই: ডিএসসিসি প্রশাসক নালিতাবাড়ীতে সরকারি নাজমুল স্মৃতি কলেজে ঈদে মিলাদুন্নবী উদ্‌যাপন শেরপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিরা দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নালিতাবাড়ীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

গত বছর কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় নিহত ৭২৯

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

বাংলার কাগজ ডেস্ক: ২০২০ সালে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ৭২৯ জন কর্মী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু পরিবহন খাতেই ৩৪৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) উপপরিচালক ইউসুফ আল মামুন এ তথ্য উপস্থাপন করেন। সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সময় কর্মক্ষেত্রে আহত হয়েছেন মোট ৪৩৩ জন। এর মধ্যে মৎস্য খাতেই ৬৮ জন আহত হয়েছেন।

বিলস’র প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, গত বছর নির্মাণ খাতে ৮৪ জন, কৃষি খাতে ৬৭ জন, বিদ্যুৎ খাতে ৩৫ জন, মৎস্য খাতে ২৭ জন, দিনমজুর ৪৯ জন, স্টিল মিল শ্রমিক ১৫ জন, নৌ-পরিবহন শ্রমিক ১৫ জন, মেকানিক ১৪ জন, অভিবাসী শ্রমিক ১৫ জন ও অন্যান্য খাতে ৬০ জন শ্রমিক নিহত হন। আর ২০১৯ সালে কর্মক্ষেত্রে নিহতের সংখ্যা ছিল এক হাজার ২০০ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে বিভিন্ন সেক্টরে সব মিলিয়ে ৫৯৩টি শ্রমিক আন্দোলনের ঘটনা ঘটে। পোশাক খাতে সবচেয়ে বেশি ২৬৪টি আন্দোলন হয়। আর সংঘটিত আন্দোলনে ৯৯ জন শ্রমিক আহত হন।

সংবাদপত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংগঠনটি জানায়, করোনা মহামারিতে মানুষ পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ ঘোষণায় প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছে এবং ছয়টি চিনিকল বন্ধ ঘোষণার কারণে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ছে। বিলসের ভাইস চেয়ারম্যান শিরীণ আখতার এমপি বলেন, কর্মক্ষেত্রের প্রতিটি সেক্টরে অসন্তোষ রয়েছে। এজন্য শ্রমিক অধিকার নিয়ে আমাদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। শ্রমিকদের দিকে আমাদের নজর দিতে হবে। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ তাদের শ্রম আইনের আওতায় আনতে হবে এবং জাতীয় ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে।

বিলসের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ছিলেন বিলসের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল আমিন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নইমুল আহসান জুয়েল প্রমুখ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com