1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি শেরপুরে পশুখাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা শেরপুরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ নালিতাবাড়ীতে এমপির ১৫০০ গাছের চারা বিতরণ ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ, বেকার হাজারো শ্রমিক মিয়ানমারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু সবাইকে নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঝাঁপ দিতে হবে: সিইসি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে : আইনমন্ত্রী বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুর্নীতির মামলার সাজার হারে সন্তুষ্ট নয় দুদক: ইকবাল মাহমুদ

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুদকের করা মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের সাজার হারে সন্তুষ্ট নয় দুদক। যদিও বিগত পাঁচ বছরে সাজার হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৭ শতাংশে পৌঁছেছে। কমিশন প্রত্যাশা করে, মামলার সাজার হার হবে শতভাগ।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কশিনের ‘বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।  কমিশনের চেয়ারম্যান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্যসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ২০১৫ সালে সাজার হার ছিল ৩৭ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৫৪ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৬৮ শতাংশ, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে সাজার হাজর কিছুটা কমে ৬৩ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে ২০২০ সালে এর পরিমাণ ৭৭ শতাংশ হয়েছে।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৭ সাল থেকে কমিশনের দায়ের করা মামলায় সাজার হার বর্ধিত মাত্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। বিগত ২ বছর সাজার হার একই রয়েছে। এটা কশিনের ইতিবাচক অর্জন। ২০১৫ সালে যেখানে মামলায় সাজার হার ছিল ৩৭ শতাংশ, ২০১৮, ১৭ এবং ১৯ সালে ধারাবাহিক মামলার সাজার হার হচ্ছে ৬০ শতাংশের বেশি।

তিনি বলেন, কমিশন এতে সন্তুষ্ট নয়। কমিশন প্রত্যাশা করে মামলায় সাজার হার হবে শতভাগ। তবে, কমিশনের দায়ের করা মানিলন্ডারিং মামলার বিচারিক আদালতে বিগত দুই বছরে (২০১৮ ও ২০১৯) সালে যেসব রায় হয়েছে তার শতভাগ মামলার সাজা নিশ্চিত হয়েছে। কমিশন নিজস্ব প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার আলোকেই মামলার তদন্ত ও প্রসিকিউশনে গুণগত পরিবর্তন আনার অব্যাহত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেপ্তার, শাস্তিসহ সব ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরও জনআকাঙ্ক্ষা অনুসারে দুর্নীতির মাত্রা কমেছে তা স্পষ্টভাবে বলা সমীচীন হবে না।

তিনি বলেন, কমিশন মনে করে, কিছু লোভী মানুষকে দুর্নীতি থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে সামাজিক শক্তি। সামাজিকভাবে দুর্নীতিপরায়ণদের প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে শত্তিশালী অস্ত্র হতে পারে।

প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com