1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিরা দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নালিতাবাড়ীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি বদলিজনিত কারণে শেরপুরে সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমানকে বিদায় চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি

২১ আগস্ট মঞ্চে গ্রেনেড ছুড়েছিলেন ইকবাল: র‌্যাব

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ঢাকা: ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে জঙ্গি হামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার সভা মঞ্চে ইকবাল গ্রেনেড ছুড়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এ কথা জানান।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইকবালের বাড়ি ঝিনাইদহে। সে এসএসসি পাস। এক সময় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০০৩ সালে ফাঁসি হওয়া ও জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ অন্যান্য নেতাদের সান্নিধ্যে আসেন ইকবাল।  জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেন। মুফতি আব্দুল হান্নানের নির্দেশে ওই হামলায় সে অংশ নেয়। হামলার পর ২০০৮ সালে সে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যায়। সম্প্রতি দেশে ফিরে নতুন করে আবার জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, ওই ঘটনার পর থেকেই ইকবাল ছদ্মবেশে পালিয়ে ছিলেন। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ইকবাল বিদেশ পালিয়ে যান। আবার ইকবালসহ অন্যান্য সাজা হওয়া পলাতকদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত ছিল। এরই অংশ হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সন্ত্রাসবিরোধী এক সমাবেশের আয়োজন করে তৎকালীন প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী লীগ।  সমাবেশে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার পরপরই চারদিক থেকে জঙ্গিরা পাকিস্থানের তৈরি আর্জেস গ্রেনেড ছুড়ে মারে। মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত হয়ে যায় পুরো এলাকা। ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন নিথর দেহ পড়ে থাকে। অল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও আওয়ামী লীগের তত্কালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আহত শতাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com