1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল

ভোটারদের ভোটে অনিহা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয় : বাংলাদেশ ন্যাপ

  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

ঢাকা : নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে-বিষয়টি গত উপজেলা নির্বাচন, পরবর্তীতে বিভিন্ন উপনির্বাচন, সবশেষে ঢাকা সটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে আশংকাজনকভাবে ভোটার উপস্থিতির ঘটনায়  প্রমানিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ভোটারদের ভোটে অনিহা রাষ্ট্র ও ভবিষ্যত গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ভোট কেন্দ্রে গিয়েও জনগনের রায় প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার আশঙ্কা তৈরী হবার কারণেই জনগন ক্রমান্বয়ে ভোট বিমুখ হয়ে পড়ছে, যা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সিটি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও বিতর্কের উর্ধ্বে উঠতে পারলো না। ভোটাররা ভোট দিতে যাচ্ছে না, ভোট দেয়ার প্রতি তাদের আগ্রহ কমছে। এভাবে যদি ভোটাররা ভোট দিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তাহলে রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়তে পারে।

নেতৃদ্বয় বলেন, দেশে নির্বাচনের প্রতি ভোটারদের অনীহা বাড়ছে যখন একজন ভোটার প্রতিবন্ধকতার কারণে ভোট প্রদান করতে পারেন না, কারচুপির আশঙ্কা সৃষ্টি এবং প্রতিপক্ষ ও প্রতিপক্ষের ভোটারদের নাজেহাল করার মতো ঘটনার কারণে। একই সঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থাপকদের অকার্যকারিতা, আইন প্রয়োগের অক্ষমতা, সমান সুযোগ প্রদান করতে না পারা এবং সুস্থ পরিবেশ তৈরি করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকট তৈরি হয়। একই বাস্তবতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে সিটি নির্বাচনও আশাভঙ্গ ঘটিয়েছে। এই নির্বাচনে মাত্র ২৫% কাছাকাছি ভোটার ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে নির্বাচনে অব্যবস্থাপনা ছিল দৃশ্যমান।

তারা বলেন, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ায় ভোটাররা উজ্জীবিত হয়েছিলেন একটি প্রতিদ্বন্দিতামূলক এবং অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশায়। কিন্তু তাঁদের হতাশ হতে হয়েছে। ঐ নির্বাচন দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এবং এর জের থাকবে বহুদিন। খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং একজন কমিশনার যে উক্তি করেছেন, তাতে কার্যত আগের রাতে বুথ দখল ও জাল ভোটের অভিযোগের কথাই স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁরা।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, আমাদের গণতন্ত্রের ভিত এমনিতেই সবচেয়ে বেশি নড়বড়ে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা, নির্বাচনের প্রতি মানুষ আস্থা ও আগ্রহ হারিয়ে ফেললে ভবিষ্যতে গণতন্ত্রের ওপরে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। সবারই মনে রাাখতে হবে যেখানে নির্বাচনে প্রচুর ভোটারের সমাগম হয় এবং ভোটারদের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা থাকে, সেখানে গণতন্ত্র শক্ত ভিতের ওপর কার্যকর থাকে।

তারা বলেন, আমাদের দেশের নির্বাচনের ওপর ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অনীহা এবং ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা হারানোর অবস্থার উন্নতি করা শুধু নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বই নয়; এই দায়িত্ব সকল রাজনৈতিক দল, সরকার ও নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের।

নেতৃদ্বয় ভোটার উপস্থিতি কম হলেও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলারদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরন করতে স্বক্ষম হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com