1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

হাওড়ে বাঁধের নামে লুটপাট : কপাল পোড়ে কৃষকের

  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২

মারুফ সরকার, ঢাকা : ‘বাঁচাও হাওর-বাঁচাও দেশ’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে সুনামগঞ্জে একের পর এক বাঁধ ভেঙে ও উপচে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাচ্ছে। হবিগঞ্জের কয়েকটি হাওরেও ঢলের পানিতে ফসলহানি হয়েছে। প্রতিবছরই কৃষকরা এভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, অথচ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। প্রতিবছর হাওরের বাঁধ নির্মানের জন্য সরকার বরাদ্দ প্রদান করলেও তা যথাযথভাবে কাজে লাগছে না।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে ‘বাঁচাও হাওর-বাঁচাও দেশ’ ‘এর মতবিনিময় সভায় জাসদ উপদেষ্টা ও সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি এনামুজ্জামান চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেম ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেম ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।

তারা বলেন, হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ এখন লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা দেয়, কিন্তু যাঁরা কাজ বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা কৃষকের নয়, নিজেদের স্বার্থ বড় করে দেখেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক প্রভাবশালীর মিলে হাওরে বাঁধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। যে কারণে কাজে দুর্নীতি, অনিয়ম হচ্ছে। বাঁধের নামে টাকার অপচয় ও লুটপাট হয়। এতে কপাল পোড়ে কৃষকের।

তারা আরো বলেন, একসময় হাওরে ঠিকাদারদের মাধ্যমে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ হতো। কিন্তু ২০১৭ যে ফসলডুবির পর ঠিকাদারি প্রথা বাদ দিয়ে স্থানীয় কৃষক ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে গঠিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে কাজ হচ্ছে। বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার এই পদ্ধতিটি গ্রহণযোগ্য। প্রথম দুই–এক বছর কাজ ভালোই হয়েছে, এখন এটিকে নিষ্ক্রিয় করা, বিতর্কিত করার একটা ষড়যন্ত্র চলছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সরকারের বরাদ্দের অধিকাংশ দুর্নীতিবাজদের পেটে চলে যাওয়ায় বাঁধ নির্মাণ যেমন যথাযথভাবে হয়না, তেমনি রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির দায়িত্বটিও ঠিকমতো হয়না। এখন পাহাড়ি ঢল আসায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে দায় এড়াতে চায়।

তারা বলেন, এ সংকট থেকে উত্তরণে হাওর এলাকার নদ-নদী খনন জরুরি। বাঁধ নির্মাণে পিআইসি পদ্ধতি রাখতে হবে। তবে অনিময় ও দুর্নীতিমুক্ত করতে পিআইসির সংস্কার দরকার। কাজে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। প্রশাসন ও পাউবো কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে কাজ অবশ্যই যথাসময়ে শুরু এবং শেষ করতে হবে। এবার যাঁরা বাঁধের অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত, তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com