1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বদলিজনিত কারণে শেরপুরে সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমানকে বিদায় চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি নকলায় মাদকসেবীর জেল ও চার ফার্মেসির জরিমানা সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন জমি বিরোধে আইনুল হক হত্যা: শ্রীবরদী থেকে প্রধান আসামি মুরাদ গ্রেপ্তার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমাতে লবণাক্ত পানি শোধনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঘরে ফেরার আকুতি: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট সময় চায় লাখো রোহিঙ্গা

কলাপাড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ৩ বছরের শিশু সামিউল বাঁচতে চায়

  • আপডেট টাইম :: শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের চিঙ্গুরিয়া গ্রামের হতদরিদ্র একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করে শিশু সামিউল (৩)। তিন বছর আগে বাবা-মায়ের কোল জুড়ে ছোট্ট এ শিশুটির জন্ম হয়। ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে সামিউল। বর্তমানে দূরারোগ্য ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। বাম চোখের ভিতরে ধরা পড়েছে টিউমার। সেই টিউমার এখন রূপ নিয়েছে মরণব্যধি ক্যান্সারে। বাম চোখটি অপারেশন করে সরিয়ে ফেলতে হবে। তা নাহলে সমস্ত শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে মৃত্যুর আশংকা বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে শিশুটির। এ কারনে চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের হাত পেতেছেন সামিউলের পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু সামিউলের পিতা সায়েম মোল্লা। গ্রামের বাড়ি ধানখালী ইউনিয়নে। সেখানে বসতভিটা না থাকায় লালুয়া ইউনিয়নের চিঙ্গুরিয়া গ্রামে নানা মৃত নুর হোসেন মাতব্বরের বাড়িতে বসবাস করে আসছে তার পরিবার।
বাবা সায়েম মোল্লা ঢাকায় দিন মজুরের কাজ করেন। বোন সামিয়া (৮) ও মায়ের সাথে গ্রামে থাকেন শিশু সামিউল। এখানেই তার জন্ম। বয়স তিন বছর। বড় হওয়ার সাথে সাথে তার চোখের চাহনির অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন মা ফজিলাতুন নেছা বেগম। গত চার মাস আগে সন্দেহ আরও ঘনিভূত হলে প্রথমে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখান তিনি। সেখানকার ডাক্তার ঢাকা নিয়ে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন। অভাবের সংসারে ঢাকা গিয়ে চিকিৎসা করানো অসম্ভব হয়ে যায় তার কাছে।

মা ফজিলাতুন নেছা ধার-দেনা করে অনেক কষ্টে কিছু টাকা সংগ্রহ করে সন্তান নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন। সেখানে প্রথম কাশিপুর চক্ষু হাসপাতালে ডাক্তার দেখালে তারা কোন রোগ নির্ণয় করতে পারেননি। পরে ইসলামিয়া হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে ধানমন্ডি ইবনে সিনায় পরীক্ষা করালে শিশুটির বাম চোখের মধ্যে টিউমার ধরা পড়ে। যা এখন ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। শিশুটিকে বাঁচাতে হলে অতি দ্রুত অপারেশন করে চোখটি ফেলে দিতে হবে। এ কথা সেখানকার ডাক্তারগণ জানান।

শিশুটির চোখের অপারেশন, চোখ প্রতিস্থাপন ও চিকিৎসা ব্যয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা প্রয়োজন। যা বহন করা তার পরিবারের কাছে একেবারেই অসম্ভব। তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে শিশুটির পরিবার সাহায্য প্রার্থনা করেন। শিশু সামিউলের মা ফজিলাতুননেছার মোবাইল নাম্বার : ০১৭০১-৯৩১২৪৪।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com