1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিরা দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নালিতাবাড়ীতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি বদলিজনিত কারণে শেরপুরে সহকারী কমিশনার মাসুদুর রহমানকে বিদায় চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা পুলিশের ঊধ্বর্তন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি নকলায় মাদকসেবীর জেল ও চার ফার্মেসির জরিমানা সাপের কামড়ে নিহত শাহিনের পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন

৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি আসছে

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩

বাংলার কাগজ ডেস্ক : স্কুল-কলেজে শিক্ষকদের শূন্য পদ পূরণে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চাইবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি দেওয়া হলে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৮ হাজার ৩৯০ জন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছিল এনটিআরসিএ। গত সোমবার এ নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশের ফল প্রকাশ করা হয়। নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪৩৮। ৩৫ হাজার ৯৫২টি পদ ফাঁকাই থেকে গেছে। ৩২ হাজারের বেশি প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও চূড়ান্ত সুপারিশ থেকে অনেকেই বাদ পড়বেন। এ অবস্থায় আরও শিক্ষক সংকট তৈরি হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই পদগুলো পূরণ করতে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চায় সংস্থাটি।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান বলেছেন, যে পদগুলো শূন্য আছে, সেগুলো পূরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রার্থীদের কাছে আবেদন চাওয়া হবে।

এদিকে, মেধাতালিকায় এগিয়ে থাকলেও অনেক নিবন্ধনধারী চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের সুপারিশ পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে ইনডেক্সধারী (আগে থেকেই এমপিওভুক্ত) শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই প্রার্থীরা যেন আবেদন করতে না পারেন, সেজন্য তাদের নিবন্ধন সনদের রোল নম্বর সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে সংগ্রহ করেছিল এনটিআরসিএ। ইনডেক্সধারীদের রোলগুলো টেলিটকের মাধ্যমে ব্লক করে রাখে এনটিআরসিএ। তবে, বিভিন্ন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর একই হওয়ায় সবগুলো রোলই ব্লক হয়ে যায়। এর ফলে আবেদন করলেও নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশ পাননি অনেকে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com