1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশা নিতেই চালককে হত্যা, তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ নালিতাবাড়ীতে অঙ্গীকার ফাউন্ডেশন’র স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ফল গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ

ভোটার এলাকা পরিবর্তনে আসছে সুখবর

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
বাংলার কাগজ ডেস্ক : সুখবর আসছে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনকারীদের জন্য। বর্তমানে ভোটার এলাকা পরিবর্তনে বিদ্যমান ঠিকানা ও চাহিত ঠিকানার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে দৌড়াতে হয় নাগরিকদের। এ ছাড়া এলাকার পরিবর্তন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে ফি দিতে হয় দুই বার। এই ঝামেলা থেকে নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান পদ্ধতি বা ব্যবস্থায় বর্তমানে আবেদনকারী যে এলাকায় স্থানান্তরিত হতে চান সেই উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন দাখিল করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর ওই উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলাদি যাচাই-বাছাই শেষে আবেদন ইস্যু করা হয়।

এরপর বিদ্যমান ঠিকানায় উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার কর্তৃক আবেদন অনুমোদন করতে হয়। অর্থাৎ বিদ্যমান ঠিকানা ও চাহিত ঠিকানা উভয় উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার অনুমোদন প্রয়োজন হয়।

সমস্যা হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ঠিকানা ও চাহিত ঠিকানা উভয় উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার অনুমোদন প্রয়োজন হয় বলে স্থানান্তর কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা হয়।

এদিকে ভোটার স্থানান্তর সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীদের মোবাইলে স্থানান্তরিত ঠিকানার কার্ড সংগ্রহের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য মোবাইলে এসএমএস দেওয়া হয়। এতে বর্তমান নিয়মানুযায়ী প্রথমে মাইগ্রেশন আবেদন দাখিল করতে হয়। এরপর তা অনুমোদন হলে স্থানান্তরিত ঠিকানার কার্ড সংগ্রহের জন্য ফি দিয়ে আবার ডুপ্লিকেট কার্ডের আবেদন করতে হয়। এভাবে আবেদনকারীদের সময় অপচয় হয়। এ ছাড়া মেসেজ ভুল তথ্য সরবরাহের জন্য ঝামেলা সৃষ্টি হয়।

এজন্য স্থানান্তর আবেদনের সঙ্গে স্থানান্তরিত ঠিকানার কার্ড সংগ্রহের জন্য একবারেই ফি নেওয়া যেতে পারে। স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে আবেদনকারী পোর্টাল থেকে যেন কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারী সরাসরি অফিসে এসে কার্ড সংগ্রহ করতে চাইলে কার্ড প্রিন্টের জন্য সফটওয়ারেও প্রিন্টের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এতে করে স্থানান্তর কার্যক্রম ও স্থানান্তরিত ঠিকানার কার্ড গ্রহণের জন্য একাধিকবার আবেদনের প্রয়োজন হবে না। ওয়ানস্টপ সার্ভিস দেওয়া সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সিস্টেমের মধ্যে এনআইডি কার্যক্রমটি সম্পন্ন করা হচ্ছে। আমি এখানে নতুন এসেছি। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া যে কোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন নেওয়ারও প্রয়োজন পড়ে। তবে নাগরিকদের যাতে সহজে সেবা দেওয়া যায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা সে চেষ্টাই করছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com