1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : banglar kagoj : banglar kagoj
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, মূলহোতা গ্রেপ্তার বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল তিন বছর পর ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন দুই মুখ, কাল হতে পারে প্রজ্ঞাপন নকলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ৭৮ লাখ টাকা ফেরত গেল সরকারি কোষাগারে জনগণের আস্থা অর্জনে মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব ময়মনসিংহের ডিআইজির শেরপুরে গণশুনানিতে ২১৯ সেবাপ্রার্থীকে সহায়তা ছাড়পত্র ছাড়াই জাহাজ কাটছিল ফেরদৌস স্টিল, জরিমানা ৫ লাখ প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন দীপু মনি, কারাফটকের সামনে মেয়ে ও আইনজীবী নিহতদের পাঁচজন বাংলাদেশি, চারজন একই পরিবারের সদস্য: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

হালুয়াঘাটে কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হচ্ছে ধান

  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) : আমন ধান কাটা শেষ। বর্তমানে উপজেলার অনেক ফসলি জমিতে শুভা পাচ্ছে সরিষা ফুল। ইতিমধ্যে নধর হয়েছে বেগুন, শিম, টমেটো। এসব অনুষঙ্গের সঙ্গে আমন ধান বিক্রির ‘হ্যাপা’ নিয়ে ফি বছর কৃষকের শীতকাল কাটে। বাজারে যে দামে ধান বেচা যায়, তার চেয়ে বেশি দাম দেয় সরকার। কিন্তু অনেকেরই সরকারের কাছে ধান বেচার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। প্রকৃত কৃষকের স্বপ্ন ছিনতাই করে নেন ফড়িয়া নামক মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
সরকার কবে ধান কিনবে, অনেক চাষি তার খবরও পান না অথচ আগাম খবর চলে যায় ফড়িয়া ও ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠদের কাছে।
তবে এবারের শীতকালটা কৃষকের কাছে হয়তো কবোষ্ণ হয়ে ধরা দিতে পারে। কারণ, সরকার এ বছর যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা ঠিক ঠিক বাস্তবায়িত হলে বহু প্রকৃত কৃষক তাঁদের ধান ঠিক দামে বেচতে পারবেন।
বাজারে এখন প্রতি মণ নতুন ধান ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পুরোনো ধান ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার কিনছে কেজিপ্রতি ২৬ টাকায়। মানে, ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে। এই দাম পেলে হাতে চাঁদ পাবেন চাষিরা। সেটি নিশ্চিত করতে সরকার এবার কিছুটা ভিন্ন পদ্ধতিতে ধান সংগ্রহ করছে। ২০ নভেম্বর থেকে সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তা চলবে।
হালুয়াঘাট উপজেলায় লটারি করে কৃষক মনোনীত করে তাঁদের কাছ থেকে ধান কেনার কার্যক্রম চলছে। লটারিতে নির্বাচিত কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান কেনা হবে। এতে ফড়িয়াদের উৎপাত কমার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এবার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটি কার্যকর করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ শক্তভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
উপজেলার আমতৈল গোদাম কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আমাদের গোদামের জন্য ১ হাজার ৫১টন ধান বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। অনেক যাচাই বাছাই করে কৃষকদের কাছ থেকে আমরা ধান ক্রয় করছি।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনবো। সে জন্য ইতিমধ্যেই লটারীর মাধ্যমে কৃষকদের বাছাই পক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকদের ছাড়া অন্য কোন ডিলারদের কাছ থেকে ধান কেনার কোন সুযোগ নেই। হালুয়াঘাট উপজেলায় মোট ২হাজার ৫শত ১২টন ধান ক্রয় করা হবে। কোন দুর্নীতি যাতে না হয় এই ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি।
– মাজহারুল ইসলাম মিশু

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com