1. admin@banglarkagoj.net : admin :
  2. monirsherpur1981@gmail.com : banglar kagoj : banglar kagoj
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোগ্যাসেরও দাম বাড়াল বিইআরসি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় দাওয়াত না পেয়ে খেপলেন মাতবর, ক্লাসে যাওয়া বন্ধ গ্রামের ৩০ শিক্ষার্থীর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা শ্বশুরবাড়িতে জুসের সঙ্গে বিষ খাইয়ে স্বামী হত্যার অভিযোগ, একমাস পেরোলেও তদন্তে অগ্রগতি নেই নালিতাবাড়ী সীমান্তে ৪৭ বোতল ভারতীয় মদসহ যুবক আটক দেশে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ১৪ জনের মৃত্যু গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি ফাহিম চৌধুরীর আকস্মিক পরিদর্শন ১ দিনের রিমান্ডে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

৬০ ফুট লম্বা গাছের ১২ ইঞ্চি কলা

  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলার কাগজ ডেস্ক : একেকটি কলাগাছ অবলীলায় ওঠে গেছে ৬০ ফুট পর্যন্ত। এর একটি কলার দৈর্ঘ্য ১ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। শুনতে কেমন অবিশ্বাস্য মনে হলেও গল্পটা জায়ান্ট হাইল্যান্ড ব্যানানা বা মুসা ইনজেনসের। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কলাগাছ। শুধু যে এটি কলাগাছের সবচেয়ে বড় জাত তা নয়, কাঠজাতীয় নয়- এমন গাছের মধ্যেও এটি সবচেয়ে বড়।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কলাগাছ ৬০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়যদ্দুর জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশের একটি পর্বতে প্রথম এর খোঁজ পাওয়া যায়। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া ও পাপুয়া নিউগিনির ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতার অঞ্চলে সাধারণত বিশালকায় এই কলাগাছের দেখা মেলে। গাছের কাণ্ড ১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর সঙ্গে পাতাসহ অংশটি যোগ করলে মোটামুটি ২০ মিটার বা ৬৫ ফুটের মতো উঠে যায় এ গাছ। এমনকি এ গাছ ৩০ মিটার বা প্রায় ১০০ ফুটের মতো হওয়ার খবরও মেলে, যদিও এ তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশাল এই কলাগাছের কাঁদিতে সাধারণ ২৫০-৩০০টি কলা হয়। একেকটি কাঁদির ওজন কমসে কম ৬০ কেজি বা ১৩২ পাউন্ড। এ ধরনের একেকটি গাছের ব্যাস ৩ ফুটের বেশি।

সবচেয়ে বড় কলাগাছের কলাগুলোও আকারে অনেক বড়এই গাছের ফল মানে কলাও নেহায়েত ছোট নয়। ৮ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এক ফুটি কলার কথা চিন্তা করলেই কেমন লাগছে, ঠিক না। কলাপ্রেমীদের পক্ষেও এমন বিশালাকায় একটি কলা শেষ করা মুশকিল হয়ে যাবে, সন্দেহ নেই। তবে এই কলার চামড়া সাধারণ কলার মতো হলুদ, ভেতরটা বাদামি।

সাধারণত খাড়া গিরিখাদের মধ্যে আর্দ্র বা ভেজা জায়গায় কিংবা পাহাড়ের ওপরে জলা জায়গার কিনারে এ গাছ জন্মায়। বিভিন্ন জায়গায় অবশ্য এটি চাষের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই বেশি দিন বাঁচেনি গাছ। ঠিকভাবে যত্ন না নেওয়ায় কিংবা উপযোগী পরিবেশ না পাওয়ায় এটি হয়েছে। কখনো কম বয়সী বীজ ব্যবহার করার কারণেও এ সমস্যা হয়েছে।

একেকটি কলার কাঁদির ওজন ৬০ কেজি পর্যন্ত হয়এই গাছের জন্য উচ্চতাটা জরুরি। এ কারণে উষ্ণমণ্ডলীয় নিম্নভূমিতে এটি জন্মানো কঠিন। তবে খুব বেশি উঁচু এলাকা না হলেও রাত শীতল কিংবা সাগরের ধারে উষ্ণ জলবায়ুর এলাকা যেমন পর্তুগাল, উত্তর নিউজিল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল, ব্রাজিলের দক্ষিণ উপকূলে এ গাছ টিকে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস, রেয়ার পাম সিডস ডট কম, মেটা অ্যাফিশিয়েন্ট ডট কম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2011-2020 BanglarKagoj.Net
Theme Developed By ThemesBazar.Com