
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের হুমকির মুখে সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর অনুরোধে আঙ্কারা থেকে বিমান পরিবর্তন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১২ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক রিপোর্টের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা আমাকে অন্য একটি বিমানে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল, তাই আমি তাই করেছি। তারা যা বলে আমি তাই করি।’
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে তুরস্কের আঙ্কারা বিমানবন্দরে ক্যামেরার সামনে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার পর ট্রাম্পকে গোপনে একটি ক্যাটারিং ট্রাকে করে সি-৩২এ নামের ছোট সামরিক বিমানে নেওয়া হয়। একই সময়ে ডিকয় হিসেবে মূল এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিক ও কর্মীদের নিয়ে যাত্রা বজায় রাখা হয়, যার বিষয়ে ট্রাভেলিং সাংবাদিকরা কিছুই জানতেন না।
ইরানি হুমকির ধরন জানতে চাইলে ট্রাম্প জানান, তিনি বিস্তারিত কিছু জিজ্ঞাসা করেননি, কারণ তাকে নিয়মিত বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হয়। তিনি নিজেকে একজন ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রেসিডেন্ট’ উল্লেখ করে বলেন, নিষ্ক্রিয় প্রেসিডেন্টদের কেউ হুমকি দেয় না, তবে ছয় বছরের শাসনামলে অসামান্য কাজ করায় তার ওপর হুমকি বেশি। এসব হুমকি নিয়ে তিনি মোটেই চিন্তিত নন বলেও জানান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতির বিষয়ে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন, তিনি ইরানকে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেন না কারণ তারা প্রতিনিয়ত মিথ্যা বলেছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণভাবে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ৫০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তাণ্ডব চালানো দেশটি এখন আর শক্তি দেখাতে পারছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: এনডিটিভি