
রানা, শ্রীবরদী: শেরপুরের সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরি ফরেস্ট রেঞ্জের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক তানভীর ইসলাম ইমন।
এ সময় বালিজুরি রেঞ্জের নবাগত রেঞ্জ কর্মকর্তা রাতুল সাহা রানা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ডুমুরতলা ফরেস্ট কর্মকর্তা রকিবুল হাসান, বালিজুরি সদর বিট কর্মকর্তা মাজহারুল হক, রানীশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ, ফরেস্ট কর্মকর্তা আব্দুর রেজ্জাক ও হাসেম চৌধুরী, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মুগনিউর রহমান মনি, রানীশিমুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাকিল তালুকদার, শ্রীবরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তারেক মো. আব্দুল্লাহ রানা, সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান কালুসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাগান উপকারভোগী, ইআরটি দলের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, পাহাড়ি এলাকার গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা হাতির আবাসস্থলের সংকট দূর করা, হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ শিকার বন্ধ এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের হাত থেকে হাতির বিচরণভূমি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে হাতি ও মানুষের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন, বন ধ্বংস ও নগরায়নের কারণে হাতির খাবার ও চলাচলের পথ দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে। ফলে হাতি প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে। এতে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের পথ রক্ষা করা গেলে এ সংঘাত অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।